সোমবার, ১৮ নভেম্বর, ২০১৯

মশা মারতে স্যাটেলাইট!



পুবের কলম, ওয়েব ডেস্ক:মশাবাহিত রোগে অতঙ্কিত এখন মানবকূল। ডেঙ্গু, ম্যালেরিয়া ছড়ানো আতঙ্কে এই প্রতিকার খুঁজছেন নাসার গবেষকরা। সম্প্রতি মশার জ্বালায় অতিষ্ঠ হয়ে কয়েক মাস আগেই আমেরিকার নানা বড় শহরে ড্রোন নামিয়েছিল গুগল। এবার আরেক ধাপ এগিয়ে মশা দমনের ভার নিল খোদ মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা।

প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে হাত মিলিয়েছে আমেরিকার বিভিন্ন সংস্থার ল্যাবরেটরি। এদের হাতিয়ারটি ড্রোনের চেয়েও শক্তিধর। সোজা কথায় বললে, মশা মারতে কামান নয়, রীতিমতো স্যাটেলাইট দেগেছে নাসা। তবে এর পাশাপাশি ছোট ছোট অজস্র দলও তৈরি করেছে তারা। থাকছে এয়ার ট্র্যাপিংয়ের ব্যবস্থাও। যে ব্যবস্থা সবচেয়ে আধুনিক ও বিজ্ঞানসম্মত। স্যাটেলাইট ছাড়াও সেই দলের কাছে মজুত থাকবে ক্যামেরা, গ্রাফ, ম্যাপিংয়ের ব্যবস্থা, তথ্য যাচাই ও জমা করার জন্য নানা ধরনের চিপ।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (হু) দাবি, আমেরিকা তো বটেই,ভারত বাংলাদেশসহ এশিয়ার প্রায় সব দেশই মশার আতঙ্ক বুকে নিয়ে বাঁচছে। প্রতি বছর প্রায় ৩০ থেকে ৫০ কোটি মানুষ মশাবাহিত রোগের শিকার হন। মৃত্যু হয় প্রায় এক কোটি মানুষের। কোনো কোনো ক্ষেত্রে রোগ নির্ণয়ের সময়টুকুও পাওয়া যায় না। ইদানিং সে সমস্যা আরো বাড়ছে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে হু।

কিন্তু মশা মারতে স্যাটেলাইটের ব্যবহার সম্পর্কে সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন’ (সিডিসি)-র তথ্য বলছে, গত কয়েক দশক ধরেই মশার হানাদারিতে ব্যতিব্যস্ত ইংল্যান্ড-আমেরিকার বিস্তীর্ণ অঞ্চল। বিশেষ করে গরমের সময় এই মশার উৎপাত বাড়ছে। ক্যালিফোর্নিয়া, সান ফ্রান্সিসকোসহ আমেরিকার বেশ কিছু বড় শহর মশার জ্বালায় নাজেহাল।

নাসার এই উদ্যোগটি প্রথমে ক্যালিফোর্নিয়া শহরে শুরু হয় বছর পাঁচেক আগেই। আসে বিপুল সাফল্য। সেই সফলতাই এবার এই প্রজেক্টকে আমেরিকায় ছড়িয়ে দেওয়ার সাহস জোগায় নাসাকে। যা এতকাল ক্যালসার্ব (ক্যালিফোর্নিয়া ভেক্টরবর্ন ডিজিজ সার্ভিলেন্স) ছিল। তা এবার ভেক্টরসার্ব হয়ে উঠবে। অর্থাৎ ক্যালিফোর্নিয়া ছাড়াও পুরো আমেরিকা যেখানে যেখানে মশা রয়েছে সেখানেই তল্লাশি চালাবে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ভিন্ন স্বাদের খবর

...
আপনার ক্যাটাগরি নির্বাচন করুন

Whatsapp Button works on Mobile Device only