বুধবার, ২৫ ডিসেম্বর, ২০১৯

অটলের জন্মদিনে বিভাজনের রাজনীতিকে তোপ মমতার



চিন্ময় ভট্টাচার্য 

প্রয়াত প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটলবিহারী বাজপেয়ীর জন্মদিনে শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে বিভাজনের রাজনীতিকে একহাত নিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার তিনি টুইট করেন, 'অটলবিহারী বাজপেয়ীর জন্মদিনে শ্রদ্ধা জানাই। তিনি এমন একজন রাজনীতিবিদ ছিলেন, যিনি দেশের স্বার্থে বিভাজনের রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠেছিলেন। আমরা তাঁর অভাব অনুভব করছি।' মুখ্যমন্ত্রীর এই টুইট যে আসলে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে উদ্দেশ্য করেই, সেকথা বুঝতে অবশ্য কারও কোনও অসুবিধে হয়নি।

লখনউ কেন্দ্রের দীর্ঘদিনের সাংসদ অটলবিহারী বাজপেয়ী ছিলেন সাম্প্রদায়িক বিভাজনের ঊর্ধ্বে। ২০০২ সালে গুজরাতে হানাহানির সময়, নরেন্দ্র মোদি ছিলেন গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী। বাজপেয়ী তখন ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর আসনে। তিনি মোদিকে হানাহানি রুখতে 'রাজধর্ম' পালনের নির্দেশ দিয়েছিলেন। পাশাপাশি, বাজপেয়ীর নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভারও সদস্য ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুধু তাই নয়, তৃণমূল সুপ্রিমোর কালীঘাটের বাড়িতে পর্যন্ত এসেছিলেন বাজপেয়ী। সেই সূত্রে অটলবিহারী বাজপেয়ীর সঙ্গে তৃণমূল সুপ্রিমোর সম্পর্ক ছিল অত্যন্ত ভালো। 

বুধবার ছিল সেই প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী অটলবিহারী বাজপেয়ীর ৯৫তম জন্মদিন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভিযোগ, দেশে বর্তমানে মোদির হাত ধরেই বিভাজনের রাজনীতির বাড়বাড়ন্ত ঘটছে। সেই কথা মাথায় রেখে, বিভাজনের রাজনীতির বিরুদ্ধে তোপ দাগতে   বাজপেয়ীর জন্মদিনের শুভেচ্ছাবার্তাকেই তৃণমূল সুপ্রিমো হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করলেন বলে, মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ভিন্ন স্বাদের খবর

...
আপনার ক্যাটাগরি নির্বাচন করুন

Whatsapp Button works on Mobile Device only