সোমবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০১৯

মীমাংসাসূত্র না বেরোনোয় জোর করে পৌষ মেলা বসানোর চেষ্টা



পুবের কলম ওয়েব ডেস্ক, শান্তিনিকেতন: বোলপুর ব্যবসায়ী সমিতি ও বিশ্বভারতী সংঘাত আসন্ন। ইতিমধ্যেই বিশ্বভারতীর বিনা অনুমতিতে মেলার মাঠে বাঁশ ফেলে, পৌষ মেলা বাঁচাও কমিটির ফ্ল্যাগ টাঙিয়ে বোলপুর ব্যবসায়ী সমিতি দোকানপাটের কাজ শুরু করে দিয়েছে। তাদের দড়ি টানাটানিতে মেলার ভবিষ্যত অনিশ্চিত কিনা ভবিষ্যৎ বলবে। কোন মীমাংসাসূত্র না বেরোনোয়,  সোমবার জোর করে  মেলা বসানোর কথা ঘোষণা করল বোলপুর ব্যবসায়ী সমিতি। 

এব্যাপারে বিশ্বভারতীর জনসংযোগ আধিকারিক অনির্বাণ সরকার বলেনসংশ্লিষ্ট ব্যাবসায়ী সমিতির সঙ্গে কথা হয়েছে। আমরা ৫০ শতাংশ ছাড় দেওয়ার কথা ঘোষণা করি। এরপর ব্যবসায়ী সমিতির আবেদন মত আরও ৫ শতাংশ ছাড় দিয়ে মোট ৫৫ শতাংশ ছাড় দেওয়া হয়েছে। কিন্তু আবেদন অন লাইনেই করতে হবে। অনলাইনে আবেদন চলছে।

অন্যদিকে, বোলপুর ব্যবসায়ী সমিতির সেক্রেটারি সুনীল সিং বলেন, বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ আসল সত্যটা গোপন করে বলছে। আগের বছর থেকে বহুগুণ বাড়িয়ে ৫৫ শতাংশ ছাড় দিচ্ছে। তাতেও দেখা যাচ্ছে সাধারণ ব্যবসায়ীর পক্ষে সেই বর্ধিত ভাড়া এবং সিকিউরিটি মানি দেওয়া সম্ভব নয়। চার দফা দাবির মধ্যে আমরা বলেছি, ৭০ শতাংশ ছাড় দেওয়া হোক এবং সিকিউরিটি মানি বাদ দেওয়া হোক। কিন্তু সে কথায় কর্ণপাত করা হচ্ছে না। একজন নাগোরদোল্লা মালিক আগের বছর ২লক্ষ টাকা ভাড়া দিয়েছে। এবার বর্ধিত হারে ৩২ লক্ষ টাকা চাওয়া হচ্ছে। তারপর ৫৫ শতাংশ ছাড় দেওয়া হচ্ছে। তাহলে তাকে ১৪ লক্ষের বেশি টাকা দিতে হবে। এটা সম্ভব? ওই জায়গার দাম ৩২ লক্ষ হবে না। তার ভাড়া এত? তাই সিদ্ধান্ত নিয়েছি আমরাই পরিবেশ বান্ধব মেলা করব।

সংগঠনের কোষাধ্যক্ষ সুব্রত ভকত বলেন, মানছি মেলার জায়গা বিশ্বভারতীর। তবে আমরা ওখানে মেলা করেই ছাড়ব। উপাচার্য এবং আধিকারিকরা চাইছেন যেন ওখানে মেলা না হয়। উনি নিজে তুলে দিয়ে আমাদের ঘাড়ে দোষ দিতে চাইছেন। শতাব্দী প্রাচীন এই মেলা আমরা উঠে যেতে দেব না।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ভিন্ন স্বাদের খবর

...
আপনার ক্যাটাগরি নির্বাচন করুন

Whatsapp Button works on Mobile Device only