সোমবার, ৩০ ডিসেম্বর, ২০১৯

‘২৬ জানুয়ারির মধ্যে এনআরসি ও সিএএ প্রত্যাহার না করলে, নাগরিকদের আক্রোশ সারা দেশে ছড়াবে’

পুবের কলম, হায়দরাবাদ: এনআরসি ও সিএএ নিয়ে ফের সুর চড়ালেন হায়দরাবাদের এক সাংসদ। এই দুয়ের প্রভাব নিয়ে সাংসদের আশঙ্কা, ২৬ জানুয়ারির মধ্যে এনআরসি ও সিএএ প্রত্যাহার না করলে নাগরিকদের আক্রোশ সারা দেশে ছড়িয়ে পড়বে। এর জন্য দায়ী থাকবে কেন্দ্রীয় সরকার।
বিহারের কিষাণগঞ্জে ‘সংবিধান বাঁচাও, দেশ বাঁচাও’ নামে একটি র‍্যালির আয়োজন করা হয়। সেখানে এআইএমআইএম নেতা তথা সাংসদ বলেন, সরকার এই আইন চালু করে হিন্দু-মুসলিমদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টির চেষ্টা করছে। কিন্তু আমরা সরকারের এই চেষ্টা সফল হতে দেব না।’ তাঁর প্রশ্ন, প্রধানমন্ত্রী দেশের মুসলিমদের কেন এতো ঘৃণা করেন। তারা কি দেশের উন্নয়নের শরিক নন? বাবা সাহেব সংবিধান তৈরির সময় উল্লেখ করেছিলেন, এই দেশ কোনও বিশেষ ধর্মের জন্য নয়। সব ধর্মের জন্যই এই দেশ। এই আইন দিয়ে মোদি সরকার বাবা সাহেব ও রাজেন্দ্র প্রসাদের স্বপ্নভঙ্গ করছেন। এই বিষয়টি শুধু মুসলিমদের বিষয় নয়। ১৩০ কোটি মানুষের বিষয়। এই বিষয়ে গুরুত্ব সহকারে বিচার বিবেচনা করা উচিৎ। 
সাংসদ আরও বলেন, ‘আমি নীতীশ, লালু, রাহুল কিংবা মোদি কাউকেই ভয় করি না। ভয়ের ভিত্তির ওপর আমরা দাঁড়িয়ে নেই। অসমে ৫ লাখ বাংলাভাষীকে ডিটেনশন ক্যাম্পে পাঠানো হয়েছে। এনআরসি ও সিএএ-র মধ্যে কোনও ফারাক নেই। সরকার এনপিআর নিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করতে চাইছে। কেন্দ্রীয় সরকার কীভাবে সিদ্ধান্ত নিতে পারেন যে আমরা ভারতের নাগরিক কিনা।’ এরপাশাপাশি এনপিআর ও এনআরসি নিয়ে যে কোনও জায়গায় বিতর্কে প্রস্তুত বলেও জানিয়েছেন এআইএমআইএম সুপ্রিমো।  
  1. সাংসদের নাম দেওয়া উচিত ছিল। নিশ্চয়ই আসাদউদ্দিন ওয়াইসি বলেছেন।

    উত্তর দিনমুছুন

ভিন্ন স্বাদের খবর

...
আপনার ক্যাটাগরি নির্বাচন করুন

Whatsapp Button works on Mobile Device only