শুক্রবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০১৯

সংসদে নারীদের বিরুদ্ধে হওয়া অপরাধের কঠোর শাস্তি চাইলেন সৌগত রায়ের


পুবের কলম ওয়েব ডেস্ক, দিল্লি: সংসদে দাঁড়িয়ে নারীদের বিরুদ্ধে হওয়া অপরাধের কঠোর শাস্তি চাইলেন তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ সৌগত রায়। হায়দরাবাদে পশুচিকিৎসককে ধর্ষণ করে খুনের ঘটনায় ১০ দিনের মাথায় এক পুলিশি এনকাউন্টারের অভিযুক্তরা নিহত হয়েছে। শুক্রবার ভোররাতের এই এনকাউন্টারের ঘটনার কথা সকালে ছড়িয়ে পড়তেই গোটা দেশ থেকে প্রতিক্রিয়া আসতে শুরু করে।

তাই নারী নির্যাতন ও সেই অপরাধের অপরাধীদের শাস্তি নিয়ে উত্তাল হয়ে ওঠে সংসদএদিন নারীদের বিরুদ্ধে হওয়া অপরাধের কঠোর শাস্তি দাবি করেন, তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়। এদিন সৌগতবাবু তাঁর বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন, উন্নাওয়ে যা ঘটেছে তার ওপর আমি মুলতুবি প্রস্তাব এনে ছিলাম। আপনি আমাদের সেই সুযোগ করে দেওয়ায় আমি ধন্যবাদ জানাচ্ছি। আমি জানি না আর কত দিন ভারতের মহিলাদের ওপর এমন অপরাধ ঘটতে থাকবে, আর কতদিন সদনে আমাদের এ বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করতে থাকবআমার লজ্জা করে।

আজ হায়দরাবাদে অভিযুক্তদের গুলি করে হত্যা করা হয়েছে, এই ঘটনাকে এনকাউন্টার বলে দাবি করেছে পুলিশআমি ফেসবুককে দেখেছি এই খবরে মানুষ পুলিশের কাজের প্রশংসা করেছে। আমি কোনও ধরণে এনকাউন্টারে মৃত্যুর সমর্থন করি না।কিন্তু আজ মানুষের মধ্যে এর গ্রহণযোগ্যতা বাড়ছে। মানুষ বলেছে ধর্ষণকারীদের লিচিং করে মেরে দেওয়াই উচিত অথবা এনকাউন্টার করে খতম করা উচিত।

তাই, যদি আমাদের জন্য দেশে আইনি শাসন বজায় রাখতে হয়, তাহলে আমাদের দেখতে হবে ধর্ষকরা যেন চট জলদি কঠোর থেকে কঠোরতম সাজা পায়তাই আপনার উচিত সংসদে মন্ত্রীকে ডেকে এনে আইন প্রণয়ন করে কঠোর ও দ্রুত বিচারের ব্যবস্থা করা  
যখন মহিলাদের ওপর অত্যাচারের ঘটনা খবরের কাগজে প্রথম পাতায় আসে তখনই, ভারতের সংসদে এই বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। রাজনৈতিক হওয়ায় আমাদের এই কথা সংসদের কাছে রাখতে হয়, আর বলতে হয়, যেখানে ঘটনা ঘটেছে ওখানে রাজ্য পুলিশ ও প্রশাসনের নিরাপত্তার ঘাটতি থেকে গিয়ে ছিল।

এর আগেও উন্নাও-এ একই ধরণের ঘটনা ঘটেছেফের ওখানের এক মহিলার ওপর একই ঘটনা ঘটেছে। মহিলাকে ধর্ষণ করার পর পুড়িয়ে মারার চেষ্টা করা হয়েছে। আক্রান্তকে উদ্ধার করে এয়ারবাস অ্যাম্বুল্যান্স দিল্লি নিয়ে আসা হয়েছে। এখন সাফাদারজঙ্গ হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন ওই মহিলা

আমি প্রথম দিনেও যা বলে ছিলাম, তা আজও বলতে চাই, ধর্ষণকারীদের দ্রুত মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। এখুনি সংসদে আলোচনা হয়েছে, যে নির্ভয়াকাণ্ডের অপরাধীদের ফাঁসি দেওয়া হয়নি। সাত বছর হয়ে গিয়েছে, এক্ষেত্রে  কঠোর থেকে কঠোরতম শাস্তি ব্যবস্থা করুন। বিচারে বিলম্ব করার মানে হল ন্যায়বিচারকে অগ্রাহ্য করা।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ভিন্ন স্বাদের খবর

...
আপনার ক্যাটাগরি নির্বাচন করুন

Whatsapp Button works on Mobile Device only