বৃহস্পতিবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০১৯

মহিলাঘটিত মামলায় অভিযুক্তদের মধ্যে বিজেপি জনপ্রতিনিধিরাই বেশি

মহিলাঘটিত অপরাধের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি মামলা রয়েছে বিজেপির সাংসদ ও বিধায়কদের বিরুদ্ধে। চাঞ্চল্যকর এই তথ্য প্রকাশ্যে এনেছে স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা অ্যাসোসিয়েশন ফর ডেমোক্রেটিক রিফর্মস (এডিআর) ও ন্যাশনাল ইলেকশন ওয়াচ। 

প্রভাবশালী এবং সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তি বলে কথা। অথচ সেই সব সাংসদ-বিধায়কদের বিরুদ্ধেই কীনা মহিলা নির্যাতনের অভিযোগ! এডিআর ও ন্যাশনাল ইলেকশন ওয়াচ-এর তথ্য সেকথাই বলছে। এই ধরণের ঘটনায় বিজেপির সাংসদ-বিধায়কদের সংখ্যা ২১জন। এরপরই রয়েছে কংগ্রেসের ১৬জন সাংসদ ও ওয়াইএসআরসিপি-র ৭জন সদস্য। রিপোর্ট আরও বলছে– সাংসদ-বিধায়কদের এই সংখ্যাটা বেড়েছে ২০০৯-২০১৯ এর মধ্যে। 


  বর্তমান সাংসদ ও বিধায়কদের ৪ হাজার ৮৯৬টি নির্বাচনী হলফনামার মধ্যে ৪ হাজার ৮২২টি খতিয়ে দেখে স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা অ্যাসোসিয়েশন ফর ডেমোক্রেটিক রিফর্মস (এডিআর) ও ন্যাশনাল ইলেকশন ওয়াচ।  নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার সময় প্রার্থীদের নির্বাচন কমিশনে যে হলফনামা জমা দিতে হয়– সেখানে তাঁদের নিজেদের বিরুদ্ধে থাকা মামলার তালিকা উল্লেখ করতে হয়। গত পাঁচ বছরের ৭৭৬ জন সাংসদের মধ্যে ৭৫৯ জনের এবং ৪ হাজার ১২০ জন বিধায়কের মধ্যে ৪ হাজার ৬৩ জনের হলফনামা বিশ্লেষণ করে পাওয়া তথ্যে জানা যায়– মহিলাঘটিত অপরাধে সবচেয়ে বেশি মামলা রয়েছে দেশের শাসক দল বিজেপির সাংসদ ও বিধায়কদের বিরুদ্ধে। 

সমীক্ষায় জানা যায়, দেশের ১৮ জন সাংসদ ও ৫৮ জন বিধায়ক নির্বাচন কমিশনকে হলফনামায় জানিয়েছেন– তাঁদের বিরুদ্ধে মহিলাঘটিত অপরাধের অভিযোগ আছে। এর মধ্যে বিজেপি সাংসদবিধায়কের সংখ্যা ২১। কংগ্রেসের সাংসদবিধায়কের সংখ্যা ১৬। ওয়াইএসআর কংগ্রেসের সাংসদবিধায়কের সংখ্যা ৭। গত পাঁচ বছরে লোকসভা– রাজ্যসভা ও বিধানসভা ভোটে ৫৭২ জন এমন প্রার্থী ছিলেন– যাঁরা কোনও না কোনও স্তরের নারী নিগ্রহ মামলার অভিযুক্ত। তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হলো– তাঁদের একজনেরও শাস্তি হয়নি। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ওডিশা ও মহারাষ্ট্র। সেখানে এমন সাংসদ-বিধায়কের সংখ্যা ১২। 

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ভিন্ন স্বাদের খবর

...
আপনার ক্যাটাগরি নির্বাচন করুন

Whatsapp Button works on Mobile Device only