শনিবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০১৯

বিশ্বের 'ধর্ষণ-রাজধানী' হয়ে উঠেছে ভারত: রাহুল গান্ধি

দেশে ঘটে চলেছে একের পর এক ধর্ষণের ঘটনা। আর তাতে বিশ্বের দরবারে ভারতের মর্যাদা নষ্ট হচ্ছে। কেরলের ওয়েনাড়ে এ্ক সভায় সেখানকার সাংসদ রাহুল গান্ধি ভারতকে 'ধর্ষণের রাজধানী ' বলে মন্তব্য করেন। বাইরের দেশগুলির প্রশ্ন–ভারত কেন তাদের কন্যা ও বোনদের রক্ষা করতে পারছে না?

এদিন তিনি সভা থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে  আক্রমণ করেন। 'উত্তরপ্রদেশের এক বিজেপি এমএলএ ধর্ষণে জড়িত। আর এ নিয়ে টুঁ শব্দটি করছেন না প্রধানমন্ত্রী,' এভাবেই বেঁধেন রাহুল। বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর থেকেই দেশে নারীদের উপর হিংসার ঘটনা বেড়েছে বলে তিনি কেন্দ্র সরকারের তীব্র নিন্দা করেন। আর এ্রর জন্য তিনি দায়ী করেছেন প্রধানমন্ত্রী মোদিকে। রাহুল গান্ধির অভিযোগ, হিংসায় বিশ্বাস করেন এমন একজন ব্যক্তি এখন দেশ চালাচ্ছেন।তিনি হিংসা ও ক্ষমতার যথেচ্ছ অপব্যবহারে বিশ্বাস করেন। এর ফলে দেশের প্রাতিষ্ঠানিক পরিকাঠামো ভেঙে পড়েছে। অনেকদিন পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিরুদ্ধে এমন খোলাখুলি আক্রমণ শানালেন রাহুল। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে সাম্প্রদায়িক হিংসা, দলিতদের বিরুদ্ধে হিংসা, তাঁদের মারধর, হাত কেটে নেওয়া, জমি ছিনিয়ে এই ধরনের ঘটনা বেড়েই চলেছে। সংখ্যালগুদের উপর অত্যাচার বেড়েছে এই সরকারের আমলে, মত রাহুলের। তিনি আরও বলেন, বিশ্ব আমাদের দেশের দিকে তাকাতো নতুন দিশার জন্য। এখন ভারতের পরিস্থিতি দেখে আর বলে, এই দেশের মানুষ জানে না কীভাবে মেয়েদের সঙ্গে ব্যবহার করতে হয়। 

এদিন রাহুল কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনের বিরুদ্ধেও আক্রমণ শানান।দেশে ক্রমাগত পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধি নিয়ে এই আক্রমণ করেন তিনি। সংসদে নির্মলা সীতারামন বলেছিলেন, তিনি পেঁয়াজ খান না। এ্রর জবাবে শনিবার রাহুল কটাক্ষ করেন, অর্থমন্ত্রী পেঁয়াজ খান কি না সেটা কেউ জানতে চান না। দেশের অর্থনীতির এই হাল কেন সেটাই তাঁর কাছে জানতে চাওয়া হয়েছে। অর্থনীতির বেহাল দশার জন্য  রাহুল মোদিকেও দায়ী করেছেন। তার অভিযোগ, প্রধানমন্ত্রী  দেশের অর্থনীতির মেরুদণ্ড ভেঙে দিয়েছেন।নোট বাতিলের সময় তিনি ভাবেননি কৃষকদের কথা।দেশের জনতার কথা না শুনে মোদি কেবল নিজের মন কি বাত শোনেন।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ভিন্ন স্বাদের খবর

...
আপনার ক্যাটাগরি নির্বাচন করুন

Whatsapp Button works on Mobile Device only