শনিবার, ২১ ডিসেম্বর, ২০১৯

গণভোট নিয়ে অবস্থান ব্যাখ্যা তৃণমূল সুপ্রিমোর



চিন্ময় ভট্টাচার্য

রাজ্যপাল জগদীশ ধনকড় তাঁকে গণভোট নিয়ে মন্তব্য প্রত্যাহারের জন্য আবেদন করেছেন। শুধু আবেদনই করেননি। সোশ্যাল মিডিয়ায় কার্যত মুখ্যমন্ত্রীর গণভোট মন্তব্যের বিরুদ্ধে সমালোচনায় সরব হয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে শুক্রবার নিজের গণভোট মন্তব্যের ব্যাখ্যা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুক্রবার তৃণমূল ভবনে দলের সাংসদ-বিধায়কদের সঙ্গে বৈঠকের পর তিনি সাংবাদিকদের বলেন, 'আমি নিরপেক্ষ সংস্থার দ্বারা গণভোট করানোর কথা বলেছিলাম। উদাহরণ হিসেবে রাষ্ট্রসংঘের কথা উল্লেখ করেছি। আমি চাই, বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠনগুলোর প্রতিনিধি এবং সমস্ত নিরপেক্ষ বিশেষজ্ঞদের তত্ত্বাবধানে গণভোট হোক।'

এর আগে বৃহস্পতিবার ধর্মতলার সভায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন খারিজের দাবি জানিয়েছিলেন। নিজের দাবির পক্ষে গণভোটের জন্য সওয়াল করেছিলেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, 'আমি চাই রাষ্ট্রসংঘ বা মানবাধিকার কমিশনের মতো নিরপেক্ষ প্রতিষ্ঠানের তত্ত্বাবধানে দেশজুড়ে গণভোট হোক।' মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই মন্তব্যের প্রেক্ষিতে এদিন সোশ্যাল মিডিয়ায় টুইট করেন রাজ্যপাল। তিনি লেখেন, 'বাইরের হস্তক্ষেপ চেয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেরকম অসাংবিধানিক পথে হাঁটছেন, তা দেখে আমি গভীরভাবে মর্মাহত। এতে দেশের গণতান্ত্রিক বাতাবরণের অপূরণীয় ক্ষতি হয়ে গেল।'


শুধু টুইটই নয়। পরে একইসুরে গণভোট মন্তব্য প্রত্যাহারের অনুরোধ করে মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠিও দেন রাজ্যপাল। শুধু তাই নয়, রাজ্যে এনপিআরের কাজকর্ম স্থগিত রাখার কথা তাঁকে রাজ্য সরকার সরকারিভাবে জানায়নি বলেও এদিন অন্য একটি চিঠিতে মুখ্যমন্ত্রীকে জানান জগদীপ ধনকড়। সেই চিঠিতে গণভোট স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত মন্ত্রিসভার বৈঠক ডেকে গ্রহণের জন্য মুখ্যমন্ত্রীকে পরামর্শ দিয়েছেন রাজ্যপাল।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ভিন্ন স্বাদের খবর

...
আপনার ক্যাটাগরি নির্বাচন করুন

Whatsapp Button works on Mobile Device only