শুক্রবার, ২৭ ডিসেম্বর, ২০১৯

তুরস্ক, মিশর, আফগানিস্তান থেকে আসছে পেঁয়াজ

দেশজুড়ে বেড়েছে পেঁয়াজের দর। তাই এবার চাহিদামতো জোগান দিতে বিদেশ থেকে আমদানি করা হচ্ছে হলুদ ও লাল পেঁয়াজ। তুরস্ক– মিশর ও আফগানিস্তান থেকে আসছে এই ‘মহার্ঘ’। ইতিমধ্যেই ১১৬০ টন পেঁয়াজ ভারতে এসে পৌঁছেছে। আগামী তিন-চারদিনে আরও ১০৫৬০ টন পেঁয়াজ আসছে। এইসব মুসলিম দেশ তুরস্ক ও মিশর থেকে মুম্বই বন্দর হয়ে পেঁয়াজ দেশে ঢুকছে বলে জানিয়েছেন উপভোক্তা বিষয়ক মন্ত্রকের এক উচ্চপদস্থ সচিব।

মাসখানেক থেকেই পেঁয়াজের অগ্নিমূল্য নাকের জল, চোখের জল এক করেছে দেশবাসীর। দেড়শো টাকা কেজি দাম উঠেছে। বহু ছোট হোটেল– রেস্তোরাঁতে খাবারের সঙ্গে অতিরিক্ত পেঁয়াজ দেওয়াই বন্ধ হয়ে গেছে। এই পরিস্থিতিতে বিদেশ থেকে আমদানিই শ্রেয় বলে মনে করেছে কেন্দ্র সরকার। সেখানে ভারতের সহায় হয়েছে তুরস্ক– মিশর– আফগানিস্তানের মতো মুসলিম-অধ্যুষিত দেশগুলিই। জলপথে জাহাজে করে েপঁয়াজ আমদানি করার পর চড়া মূল্যে কিছুটা স্থিতিশীলতা এসেছে বলে দাবি করছে উপভোক্তা বিষয়ক মন্ত্রক। দেশের বড় শহরগুলিতে কমেছে দাম। যদিও কলকাতায় ১২০ টাকা, মুম্বই ও দিল্লিতে ১০২ টাকা, চেন্নাইতে ৮০ টাকা কেজি দরে এখনও বিকোচ্ছে পেঁয়াজ। শুক্রবারে দেওয়া এক সরকারি তথ্যেও এমনটাই দেখা গেছে। আমদানির পর এই মূল্য কিছুটা কমতে পারে বলে অনুমান করা হচ্ছে। মোট ৪৯৫০০ টন পেঁয়াজের বরাত দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

২০১৯-২০ বর্ষে খারিফ শস্যের উৎপাদনে প্রায় ২৫ শতাংশ ঘাটতি ছিল। পেঁয়াজ উৎপাদনকারী রাজ্যগুলিতে দেরিতে বর্ষা আসা এবং হঠাৎ অতিবৃষ্টির ফলে ফলন কমে যায়। মূল্যবৃদ্ধি আটকাতে রফতানি বন্ধ, মজুতে নিয়ন্ত্রণ আনা হয়েছে সরকারের তরফ থেকে। তবুও অবশ্য মূল্যবৃদ্ধি আটকানো যায়নি। এবার ভরসা তুরস্ক, মিশরের আমদানিকরা জাহাজভর্তি পেয়াঁজের উপরেই। এর ফলে জানুয়ারিতেই দর নামবে বলে মনে করছেন ব্যবসায়ীরা। এই সময় দেশেও খারিফ-পরবর্তী পেঁয়াজের দেখা মিলবে।        

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ভিন্ন স্বাদের খবর

...
আপনার ক্যাটাগরি নির্বাচন করুন

Whatsapp Button works on Mobile Device only