শুক্রবার, ২০ ডিসেম্বর, ২০১৯

পৌষমেলার নিরাপত্তায় প্রাক্তন সেনাকর্মী


পুবের কলম ওয়েব ডেস্ক, শান্তিনিকেতন: প্রধানমন্ত্রীর দফতরের নির্দেশে পৌষমেলার অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখতে প্রাক্তন সেনাকর্মীরা। তবে তাদের আগমনের কোন সুস্পষ্ট কারণ করে বলতে চায়নি বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ। 

 এবার পৌষমেলার নিরাপত্তায় এল ১ কোম্পানি প্রাক্তন সেনাকর্মী। তবে সূত্রের খবর, বিশ্বভারতীর আবেদনের ভিত্তিতে প্রধানমন্ত্রী দপ্তরের নির্দেশে আর্মি ওয়েলফেয়ার প্লেসমেন্ট সার্ভিস থেকে সেনাকর্মীদের মোতায়েন করা হয়। শুক্রবার সকালে তারা শান্তিনিকেতনে পৌঁছে গেছে। 

২৪ ডিসেম্বর থেকে শুরু শান্তিনিকেতনের ঐতিহ্যবাহী পৌষমেলা। যদিও, অন্যান্য বারের তুলনায় এবার অনেক কম জাঁকজমক ভাবেই হবে এই মেলা। তবে ইতিমধ্যেই ৭০০ অধিক স্টল বুকিং হযে গেছে অনলাইনে। কেন হঠাৎ প্রাক্তন সেনাকর্মীদের তলব করল বিশ্বভারতী? সূত্রে খবর, পৌষ মেলা দূষন নিয়ে মামলা মোকদ্দমায় জেরবার বিশ্বভারতী এক সময় পৌষ মেলা করব না বলে ঘোষনা করে দেয়। কারন পৌষমেলার দূষন নিয়ে পরিবেশ আদালতে মামলা নিয়ে অসুবিধার সম্মুখীন হতে হয় কতৃপক্ষকে। সেই অবস্থায় ঐতিহ্যবাহী পৌষমেলার ভবিষ্যৎ নিয়ে বড়  প্রশ্ন চিহ্ন দেখা দেয়। বড় সমস্যা ছিল পৌষমেলার শেষে ভাঙ্গা মেলার লাগাম ছাড়া দূষন ছড়ানো নিয়ে। যা সামাল দিতে হিমশিম খায় বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ।

কারণ সরকারি ভাবে মেলার দিন অতিবাহিত হবার পর মেলা থেকেই যায়। যার সমস্ত দায়ভার এসে পড়ে বিশ্বভারতী উপর। তাই এইসব বিষয় নিয়ে বিশ্বভারতী এক সময় কর্তৃপক্ষ আচার্যের দৃষ্টি আকর্ষন করেছিল।   সেই মত প্রধানমন্ত্রী দপ্তরের নির্দেশে কলকাতার আর্মি ওয়েলফেয়ার প্লেসমেন্ট সার্ভিস থেকে ১ কোম্পানি অর্থাৎ ১০০ জন প্রাক্তন সেনাকর্মী মোতায়েন করা হয়েছে। মেলার ৪ দিন নিরাপত্তার মূল দায়িত্বে থাকছে এই সেনাকর্মীরাই৷ এছাড়া থাকছে বিশ্বভারতীর নিজস্ব নিরাপত্তারক্ষী, স্টুডেন্টস ভলিন্টিয়ার, রাজ্য পুলিশ। বসানো হয়েছে ওয়াচ টাওয়ার, ড্রপ গেট। এরা শুধু মেলার চার দিনই নয়। মেলা শেষে যে ৪৮ ঘন্টা সময় দেওয়া হয় ব্যবসায়ীদের মেলা তোলার জন্য সেই টাইমের মধ্যেই মেলা তোমার দায়িত্ব বর্তাবে এই প্রাক্তন সেনাকর্মীদের উপর। প্রবীণ আশ্রমিক দের কথায়, এই প্রথম মেলা পরিচালনা বা তোলার জন্য প্রাক্তন সেনাকর্মীদের নিয়োগ করল বিশ্বভারতী।

অন্যদিকে, এদিন থেকে পৌষমেলায় দপ্তর তৈরি করে নজরদারি শুরু করলেন উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তী। এদিনথেকেই মেলা প্রাঙ্গণে একটি অস্থায়ী দপ্তর করেছেন বিশ্বভারতীর উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তী। এই দপ্তরে মেলায় আগতরা তাদের অভিযোগ করতে পারবেন।  

বিশ্বভারতীর জনসংযোগ আধিকারিক অনির্বাণ সরকার বলেন, "আমাদের আবেদনমত নিরাপত্তার ভার প্রাক্তন সেনাকর্মীদের দেওয়া হয়েছে। মেলা সুষ্ঠু মত পরিচালনা করতে তারা সহযোগিতা করবে।"

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ভিন্ন স্বাদের খবর

...
আপনার ক্যাটাগরি নির্বাচন করুন

Whatsapp Button works on Mobile Device only