শনিবার, ২১ ডিসেম্বর, ২০১৯

বিজেপির বিদায়, ইঙ্গিত বুথফেরতে

হেমন্ত সোরেন
পুবের কলম, রাঁচি: ঝাড়খণ্ডে হোঁচট খেতে চলেছে বিজেপি। এমনটাই বলছে বুথফেরত সমীক্ষা। শুক্রবার ছিল পঞ্চম দফা নির্বাচন। বেশিরভাগ সমীক্ষা সংস্থাই বলছে, ত্রিশঙ্কু হতে পারে বিধানসভা। ইন্ডিয়া টু ডে, এক্সি-মাই ইন্ডিয়া সংস্থার সমীক্ষা হল কংগ্রেস-ঝাড়খণ্ড মুক্তিমোর্চা এবং আরজেডি জোট ৩৮-৫০টি আসন পেতে পারে। ঝাড়খণ্ড বিধানসভার আসন সংখ্যা ৮১। সি ভোটার-এবিপি বুথফেরত সমীক্ষা বলছে, বিজেপি মেরে-কেটে ২৮-৩৬টি আসন পেতে পারে। আইএএনএস, সি-ভোটার, এবিপি, বুথফেরত সমীক্ষা বলছে, কংগ্রেস, জেএমএম এবং আরজেডি জোট ৩১-৩৯টি আসন পেতে পারে। বিজেপি পেতে পারে ২৮-৩৬টি আসন। ২০১৮ বিধানসভা নির্বাচনে ৩৭টি আসন পেয়েছিল বিজেপি। অল ঝাড়খণ্ড স্টুডেন্টস ইউনিয়ন পেয়েছিল ৫টি আসন। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বাবুলাল মারান্ডির দল, ঝাড়খণ্ড বিকাশ মোর্চা এবং অল ঝাড়খণ্ড স্টুডেন্টস ইউনিয়নকে সঙ্গে নিয়ে সরকার গড়েছিল বিজেপি। কিন্তু এবার একা লড়তে হয়েছে বিজেপিকে। হরিয়ানাতে কোনওমতে ক্ষমতা ধরে রেখেছে বিজেপি। মহারাষ্ট্র হাতছাড়া হয়েছে। এরকম অবস্থায় ঝাড়খণ্ডও তাদের হাতছাড়া হতে পারে বলে ইঙ্গিত মিলেছে বুথফেরত সমীক্ষায়।

ঝাড়খণ্ড বিধানসভা নির্বাচনে কোখনও মন্দির, কখনও ৩৭০ বাতিল, কখনও বা নাগরিক সংশোধনী বিলকে প্রচারের হাতিয়ার করেছে বিজেপির শীর্ষনেতৃত্ব। এর কোনটাই সেখানকার আমজনতার রুজি-রুটির উত্তর দিতে পারেনি। কেবল হিন্দুত্বের দোহাই দিয়ে ভোট কুড়াতে চেয়েছেন শাহ-মোদি-রাজনাথরা। এই হিন্দুত্বকেই আঁকড়ে ধরে তারা ভোটসূচক বাড়াতে চেয়েছেন। তবে পরিস্থিতি যা, তাতে বিশেষ ফায়দা হবে বলে মনে হচ্ছে না। ২৩ ডিসেম্বর অবশ্য ফয়সালা হয়ে যাবে সবকিছুরই।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ভিন্ন স্বাদের খবর

...
আপনার ক্যাটাগরি নির্বাচন করুন

Whatsapp Button works on Mobile Device only