বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর, ২০১৯

রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসন জারির স্থিতি নেই : কৈলাশ বিজয়বর্গীয়


পুবের কলম ওয়েব ডেস্ক, বোলপুর:  গোটা বিষয়টি রাজ্যপাল ও কেন্দ্রের বিষয়। তবে যে দিকে মুখ্যমন্ত্রী যাচ্ছেন, সেই স্থিতি উৎপন্ন হচ্ছে। এখন রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসনের স্থিতি নেই।  জঙ্গীপুর যাওয়ার পথে বোলপুরে এসে এমন মন্তব্য করে গেলেন বিজেপি নেতা কৈলাশ বিজয়বর্গীয়।

এদিন বোলপুরে মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে কথা বলতে গিয়ে বিজয়বর্গীয় বলেন, সংসদে পাস হওয়া কোনও নিয়ম রাজ্য মানবে না, এটা ভারতীয় গণতন্ত্রে হতে পারে না। রাজ্যজুড়ে চলা অশান্তি, বিক্ষোভের জন্য মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দায়ী করেন তিনি।

তাঁর অভিযোগ, গত ১৩ তারিখ মুখ্যমন্ত্রী নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন মানছি না বলে সরব হন। আর তারপর ১৪ তারিখ থেকেই রাজ্যে অশান্তি শুরু হয়। কেন্দ্রের রেলকে লক্ষ্য করে হামলা করে দুষ্কৃতীরা। ভাঙচুর করে। পশ্চিমবঙ্গে ৪০০ কোটি টাকার ক্ষতি, এর জন্য দায়ী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন ২০১৯ নাগরিকত্ব প্রদানের জন্য, দেশ থেকে তাড়িয়ে দেওয়ার জন্য নয়। আগে আইনটি সম্পর্কে জানুন তারপরে আন্দোলন করুন।

 তিনি বলেন, "রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা মুখ্যমন্ত্রীর হাতে। কিন্তু যে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী নিজেই চান রাজ্যে আগুন জ্বলুক, তাকে নিয়ে তো আমার বলার কিছু নেই।" পাশাপাশি তিনি এ অভিযোগও করেন, "সংসদে তৈরি হওয়া আইনকে মানবো না তেমন কোন কথা মুখ্যমন্ত্রী বলতে পারেন না। ভারতবর্ষে গণতান্ত্রিক দেশ। এখানে নাগরিকত্ব দেওয়া কেন্দ্রের একটি আর যা সংবিধান বলছে। রাজ্য সরকারের এখানে কোন রকম ভূমিকা নেই। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই আইন মানা বা না মানায় কিছু এসে যায় না। যে আইন পাশ হয়েছে সেই আইন নাগরিকত্ব দেওয়ার আইন। এই আইন কারোর নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়ার জন্য নয়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, কংগ্রেস যে সকল দল রয়েছে যারা মোদিজীর কাছে হেরে যান তারা জনতাকে বিভ্রান্ত করতে শুরু করেন। যে আইন তৈরি হয়েছে সেই আইনে যারা ভারতবর্ষের বাসিন্দা তাদের নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়া হচ্ছে না, নতুন করে নাগরিকত্ব দেওয়ার জন্য এই আইন তৈরি করা হয়েছে। আগে এই আইনের বিষয়ে পড়ুন তারপর আন্দোলন করুন।"

 প্রসঙ্গত, বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব কৈলাশ বিজয় বর্গীয় এবং বাঁকুড়ার সাংসদ সৌমিত্র খাঁয়ের নেতৃত্বে বিজেপির একটি প্রতিনিধি দল বুধবার সকালে মুর্শিদাবাদ যাওয়ার আগে বোলপুরের একটি টুরিস্ট লজে এসে উপস্থিত হন। সেখানেই তাঁরা বীরভূম জেলার দলীয় কর্মীদের সঙ্গে বেশ কিছুক্ষণ আলোচনা করেন। কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব ও সাংসদকে স্বাগত জানাতে উপস্থিত ছিলেন বীরভূম জেলা বিজেপি সভাপতি শ্যামাপদ মন্ডল।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ভিন্ন স্বাদের খবর

...
আপনার ক্যাটাগরি নির্বাচন করুন

Whatsapp Button works on Mobile Device only