সোমবার, ১৩ জানুয়ারী, ২০২০

ফের এনআরসি আতঙ্কে ঘেরাও বিডিও

পুবের কলম, ওয়েব ডেস্ক: ফের এনএরসি সার্ভে আতঙ্কে উত্তেজনা ছড়াল নলহাটি ১ নম্বর ব্লকের বসন্তপুর গ্রামে। উত্তেজনা প্রশমিত করতে সোমবার বিডিও গ্রামে গেলে তাঁকে চার ঘন্টা ঘেরাও করে রাখেন গ্রামবাসীরা। পরে আলোচনার আশ্বাসে ঘেরাও মুক্ত হন বিডিও।

দিন তিনেক আগেই নলহাটি ২ নম্বর ব্লকের কুমারসন্ডা গ্রামে একই ঘটনা ঘটেছিল। জানা গিয়েছে টাটা ট্রাস্টস এবং গুগুল যৌথভাবে গ্রামের মহিলাদের মধ্যে মোবাইলে সচেতনতা বাড়াতে উদ্যোগী হয়। তারা প্রকল্পের নাম ‘ইন্টারনেট সাথী’ রেখে ব্লক ভিত্তিক মহিলাদের প্রশিক্ষণ দিয়ে তাদের গ্রামে গ্রামে পাঠিয়েছে। সেই মতো মুর্শিদাবাদ সীমান্তের বীরভূমের নলহাটি থানার বসন্তপুর গ্রামের এক গৃহবধূকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। তিনি বেশ কিছু দিন থেকে গ্রামের মহিলাদের মোবাইল এবং ইন্টারনেট প্রশিক্ষণ দিয়ে আসছিলেন।

দিন কয়েক আগে গ্রামবাসীরা তাকে ধরে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে। সদুত্তর দিতে না পেরে তিনি বলেন কোম্পানির লোক এসে সবকিছু বোঝাবে। কিন্তু দুদিন পরও কোম্পানির লোক না আসায় উত্তেজনা বেড়ে যায়। ‘মোবাইল দিদি’ও গ্রাম ছাড়া নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যান। এদিকে গ্রামে উত্তেজনা থাকায় গ্রামে যান নলহাটি ১ নম্বর ব্লকের বিডিও জগদীশ চন্দ্র বাড়ুই। তাকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখান গ্রামবাসীরা। মঙ্গলবার বৈঠকের আশ্বাস দিয়ে চারঘণ্টা পর ঘেরাও মুক্ত হন বিডিও। 

গ্রামের বাসিন্দা মহম্মদ আলি বাস বলেন, “প্রশিক্ষণের নামে বাড়ি বাড়ি তথ্য সংগ্রহ করেছে ওই মহিলা। গ্রামবাসীরা তথ্য সংগ্রহের কারণ জানতে চাইলে উনি বলেন আধিকারিকরা এসে বুঝিয়ে যাবে। কিন্তু তার তাদের লোকজন না আসায় উত্তেজনা বেড়ে যায়”। বিডিও বলেন, “একটি বেসরকারি সংস্থা তিনমাসের জন্য মোবাইল প্রশিক্ষণ দেওয়ার ব্যবস্থা করেছিল। হয়তো তিনমাসে কাজ সম্পূর্ণ না হওয়ায় এখন কাজ করছিলেন। গ্রামবাসীদের ভুল ভাঙ্গাতে মঙ্গলবার বৈঠক ডাকা হয়েছে”।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ভিন্ন স্বাদের খবর

...
আপনার ক্যাটাগরি নির্বাচন করুন

Whatsapp Button works on Mobile Device only