বৃহস্পতিবার, ১৬ জানুয়ারী, ২০২০

জামাআতের সিএএ, এনআরসি ও এনপিআর বিরোধী মিছিলে শহরে মহিলাদের ঢল



আসিফ রেজা আনসারী

আমরা বাড়ির কাজ দেখাশোনা করি। সংসারের হাজার হাজার দায়িত্ব সামলাতে হয়। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ যেভাবে দেশকে বিশেষ ভাবধারায় পরিচালিত করতে চাইছেন, তাতে চুপ থাকা যায় না। তাই এক প্রকার বাধ্য হয়েই আমরা পথে নেমেছি। এর শেষ দেখে ছাড়ব। আজ জামায়াতে ইসলামী হিন্দের মহিলা শাখা ও গার্লস্ ইসলামিক অর্গানাইজেশন বা জিআইও-র আহ্বানে মিছিল ও সমাবেশে যোগ দিয়ে এমনই কথায় শোনা গেল হাওড়ার মাঝবয়সি তাজকেরা বিবি, খিদিরপুরের রহিমা তাবাস্সুমদের মুখে। মিছিলে যোগ দেওয়া কলেজ পড়ুয়া শাহিনা খাতুন সহ আরও অনেকেরই বক্তব্য, তাঁরা কোনও মতেই মেনে নেবেন না ‘বৈষম্যমূলক' সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন। আরও দাবি, জাতীয় নাগরিকপঞ্জি বা এনআরসি ও এনপিআর করা হবে না বলে সরকারকে ‘লিখিত’ ঘোষণা করতে হবে।

উল্লেখ্য– এ দিন দুপুর দেড়টা নাগাদ হাজী মুহাম্মদ মহসিন স্কোয়ার থেকে ধর্মতলার গান্ধিমূর্তির পাদদেশ পর্যন্ত মিছিল হয়। পনেরো-ষোলো হাজার মহিলা ও স্কুল-কলেজের ছাত্রীরা কলকাতার রাজপথ কাঁপিয়ে স্লোগান দিয়েই চলেছেন আজাদি'র। মিছিলে অংশ নিয়ে সমাবেশে বক্তব্যও রাখেন উদ্যোক্তা সংগঠনের রাজ্যনেত্রী নায়েমা আনসারি, জিআইও-র রাজ্য সভাপতি পারমিতা পারভীন, চলচ্চিত্র নির্মাতা সুদেষ্ণা রায়, অধ্যাপিকা দেবজানী রায়, রেড রোডের ইমামে ঈদাইন ক্কারী ফজলুর রহমান, সমাজকর্মী রেহানা সুলতানা, তাসনিম আঞ্জুম, মুলসিম পার্শনাল ল’বোর্ডের সদস্যা উজমা আলম– জামায়াতে ইসলামী হিন্দের রাজ্য সভাপতি মাওমানা আবদুর রফিক,  নুরুদ্দিন প্রমুখ।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ভিন্ন স্বাদের খবর

...
আপনার ক্যাটাগরি নির্বাচন করুন

Whatsapp Button works on Mobile Device only