সোমবার, ১০ ফেব্রুয়ারী, ২০২০

চা শ্রমিকদের জন্য ‘চা সুন্দরী’ প্রকল্প আবাসন মিলবে বিনামূল্যে

পুবের কলম প্রতিবেদক­ রাজ্যের চা শ্রমিকদের অধিকাংশেরই হত দরিদ্র অবস্থা। টাকার অভাবে স্থায়ী বাসস্থান তো দুরের কথা, ঠিক মতো দিন চালাতেই হিমশিম খান তাঁরা। গত কয়েক বছরে সেই দরিদ্র শ্রমিকদের সাহায্য করতে রাজ্যেরক্ষমতাসীন সরকার ২ টাকা কেজি দরে চাল, বিনামূল্যে বিদুৎতের মতো একাধিক প্রকল্প চালু করেছেন। এবার সেই তালিকায় নতুন করে আরও একটি নতুন প্রকল্প সংযোজিত হল। সোমবার বিধানসভায় রাজ্যের অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্রের পেশ করা ২০২০-২০২১ বাজেট অনুযায়ী, নতুন সেই প্রকল্পের নাম ‘চা সুন্দরী’। এই প্রকল্পের মাধ্যমে বিনামূল্যে গৃহহীন স্থায়ী চা শ্রমিকদের আবাসন গড়ে দেবে রাজ্য সরকার। 

আলিপুরদুয়ার, দার্জিলিংসহ গোটা উত্তরবঙ্গে তিনশো সত্তরটি চা বাগান আছে। যেখানে প্রায় ৩ লক্ষ স্থায়ী চা শ্রমিক আছেন। আবার এদের মধ্যে দেড় লক্ষ্যের বেশি শ্রমিক মহিলা ও আদিবাসী সম্প্রদায় ভুক্ত। একটা সময় যাঁদের মজুরির একটা অংশ রেশন বাবদ ব্যয়ের টাকা কেটে নিত মালিক পক্ষ। জাতীয় খাদ্য সুরক্ষা আইন চালু হওয়ার পর ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাস থেকে ২ টাকা কেজি দরে চাল, বিনামূল্যে চিকিৎসা পরিষেবা, বিদ্যুৎ পরষেবা, শ্রমিক পরিবার গুলির বাচ্চাদের পড়াশুনার সুবিধার্তে স্কুলে স্কুলে মিড ডে-মিল চালু করার মতো অন্যান্য সুযোগ সুবিধার ব্যবস্থা করে রাজ্যের বর্তমান ক্ষমতাসীন সরকার। এবার গৃহহীন সব স্থায়ী চা শ্রমিক পরিবার গুলিকে ‘চা সুন্দরী’ প্রকল্পের মাধ্যমে বিনামূল্যে আবাসন দিয়ে স্থায়ী বাসস্থান দিতে উদ্যোগী হয়েছে রাজ্যসরকার। এইপ্রকল্পের জন্য ৫০০ কোটি টাকা অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে বলে জানান অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্র। 

এ বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘ রাজ্যে অনেক চা-শ্রমিক আছেন। যাদের মাথা গােঁজার জায়গা নেই। তাঁদের জন্য এই চা সুন্দরী প্রকল্প। বন্ধ চা বাগানগুলির শ্রমিকদের এখনই অনেক সুবিধা দেয় রাজ্য সরকার। বিনা পয়সায় বিদ্যুৎ, রেশন, মিড-ডে মিল, নিখরচায় চিকিৎসা পরিষেবার ব্যবস্থাসহ  অনেক সুবিধা আছে, এবার গৃহহীনদের জন্য বাসস্থান দেওয়ার লক্ষ্য ছিল আমাদের’। 

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ভিন্ন স্বাদের খবর

...
আপনার ক্যাটাগরি নির্বাচন করুন

Whatsapp Button works on Mobile Device only