শুক্রবার, ২১ ফেব্রুয়ারী, ২০২০

দাদা ও বন্ধুর হাতে গণধর্ষণের শিকার বোন, চাঞ্চল্য বসিরহাটে

পুবের কলম প্রতিবেদক, বসিরহাট: নাবালিকা ছাত্রীকে গণধর্ষণের অভিযোগ দাদা ও তার বন্ধু সহ তিনজনের বিরুদ্ধে। এদের মধ্যে দু'জন নাবালক। একজন বিবাহিত যুবক। 

বসিরহাট থানার ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের আখারপুর গ্রামের ঘটনা। নবম শ্রেণীর  ওই ছাত্রী (১৪ বছর বয়স) গত ১৮ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার বাড়ির সামনে সন্ধ্যেবেলায় ঘুরছিল। তাকে ডেকে একটি ইটভাটার দিকে নিয়ে যায় তার কাকার ছেলে রুহুল কুদ্দুস ও দাদার আর এক বন্ধু সাহিদ গাজী। দুজনেই নাবালক  ও পেশায় ইটভাটার শ্রমিক। এই ঘটনার সুযোগ নেয় বিবাহিত যুবক তোতা। যার বাড়ি হাসনাবাদের বরুনহাট এলাকায়। 

ঘটনার দিন সন্ধ্যেবেলায় ইটভাটার গাদার কোনে শিকার ধরার মতো  বসেছিল তোতা নামের ওই যুবকটি।  ওই ছাত্রীর কাকার ছেলে  রুহুল কুদ্দুস সম্পর্কে দাদা ও বন্ধু সাইদ গাজি বোনকে ঘটনাস্থলে নিয়ে যায়। ওত পেতে বসে থাকা যুবক তোতা সহ   তিনজন ওই ছাত্রীকে জোর করে ভাটার ইট গাদার পাশে নিয়ে গণধর্ষণ করে বলে অভিযোগ। তারপরে নাবালিকা ছাত্রীকে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেয়। ওই ছাত্রী প্রথমে বাড়িতে বলতে চাননি ভয়ে। শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় পুরো ঘটনাটা বাবাকে বললে  বৃহস্পতিবার রাতে নির্যাতিতার বাবা মসিবর গাজী দাদা রুহুল কুদ্দুস ও বন্ধু সাইদ গাজি এবং  আরেক পরিচিত বন্ধু যুবক  তোতার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন বসিরহাট থানায়।

বসিরহাট জেলা হাসপাতালে নাবালিকা ছাত্রীর মেডিক্যাল পরীক্ষা করানো হয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে ১২ ঘণ্টার মধ্যে আখারপুর থেকে দাদা রুহুল কুদ্দুস  ও নাবালক শ্রমিক সাইদ গাজিকে গ্রেফতার করে পুলিশ ।  পুলিশের জেরায ধৃত দুই নাবালক স্বীকার করেছে এই ঘটনার মূল নায়ক  বিবাহিত যুবক তোতা। সে এখনও ফেরার। ২ নাবালক অভিযুক্ত রুহুল কুদ্দুস ও সাইদ  গাজিকে শুক্রবার বসিরহাট মহকুমা আদালতে তোলা হলেও এখানে পিসি নেওয়া যায়নি।  

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ভিন্ন স্বাদের খবর

...
আপনার ক্যাটাগরি নির্বাচন করুন

Whatsapp Button works on Mobile Device only