সোমবার, ১০ ফেব্রুয়ারী, ২০২০

সিএএ-এনআরসি চাই না, গর্জন জামিয়ার পড়ুয়াদের

আরও একবার সিএএ ও এনআরসি বিরোধী আন্দোলনে আলোড়িত হয়ে উঠল রাজধানী দিল্লি। কেন্দ্রের নিয়ন্ত্রাধীন দিল্লি পুলিশ যথারীতি মরিয়া চেষ্টা করল মিছিল আটকাতে।  আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশের তুমুল সংঘর্ষ বেধে গেল। আন্দোলনকারীদের রোষে এক সময় পুলিশের ব্যারিকেড পর্যন্ত ভেঙে যায়। 

 সিএএ ও এনআরসি’র বিরুদ্ধে আওয়াজ সংসদ ভবনে পৌঁছে দিতে এদিন সংসদ অভিযানেরও ডাক দেয় তারা। জামিয়া নগর থেকেই শুরু হয় মিছিল। মিছিলের প্রথম সারিতে বিপুল সংখ্যায় দেখা গিয়েছে মহিলাদের। পুলিশের তরফে আন্দোলনকারীদের জানিয়ে দেওয়া হয়---তাদের সংসদ ভবন অভিযান কর্মসূচির অনুমোদন দেওয়া হয়নি। তাই তারা যেন জামিয়া নগরে বিশ্ববিদ্যালয় চত্বর সংলগ্ন এলাকার মধ্যেই নিজেদের আন্দোলন সীমাবদ্ধ রাখে। জামিয়া নগর থানার অফিসার উপেন্দ্র সিং আন্দোলনকারীদের উদ্দেশ্যে করে ঘোষণা করতে শুরু করেন, ‘আপনাদের মিছিলের অনুমতি অগ্রাহ্য হয়েছে। আমি আপনাদের অনুরোধ করব, শুধুমাত্র এই এলাকার মধ্যেই আন্দোলন সীমাবদ্ধ রাখুন এবং মিছিল করে আর এগোবেন না।’ বিক্ষোভকারীরাও নিজেদের অবস্থানে অনড় থাকে। তারা সাফ জানিয়ে দেয়, ‘সংসদ ভবন পর্যন্ত মিছিল করব এটা আমাদের অধিকার। আমরা আমাদের মিছিল এগিয়ে নিয়ে যাব।’ এরপর নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়। মিছিল ছত্রভঙ্গ করতে কাঁদানে গ্যাস, জল কামান নিয়ে তৈরি হয়ে যায় বিরাট পুলিশ বাহিনী। জারি করা হয় ১৪৪ ধারা।উত্তরপ্রদেশের চিকিৎসক ডা. কাফিল খানের স্ত্রীও মিছিলের নেতৃত্বে ছিলেন। বেশ কিছু পড়ুয়া ব্যারিকেড ভেঙে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ তাদের আটক করে।  

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ভিন্ন স্বাদের খবর

...
আপনার ক্যাটাগরি নির্বাচন করুন

Whatsapp Button works on Mobile Device only