সোমবার, ২ মার্চ, ২০২০

ইছামতি নদী দূষণ নিয়ন্ত্রণে নয়া উদ্যোগ টাকি পর্যটন কেন্দ্রে


ইনামুল হক, বসিরহাট

সীমান্ত শহর বসিরহাটের টাকি পুরসভার ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে টাকি পর্যটনকেন্দ্র। দেশ তথা বিশ্বের মানচিত্রে  পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। একদিকে ওপার বাংলার পর্যটকদের কাছেও আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু টাকি। নিজের চোখে  দেখা এপার বাংলা থেকে ওপার বাংলার দৃশ্য মন কাড়ে যেকোনো ভ্রমণ পিয়াসী মানুষের। কিন্তু যেভাবে টাকি পুরসভার ইছামতীর পাড়ে সারা বছর ধরে পর্যটকের ঢল নামে। তাতে ইছামতি নদীর দূষণে একপ্রকার ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এই পর্যটন কেন্দ্র সংলগ্ন নদী। যার ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে নদীর মাছ। দিনে দিনে নদীর চরিত্র পাল্টাচ্ছে। যার ফলে স্থানীয় বাসিন্দা থেকে গেস্ট হাউসের মালিকদের থেকে বিএসএফের সমস্যায় পড়তে হচ্ছে ।পর্যটন কেন্দ্র ও সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মেলবন্ধন তৈরি হয়েছে যদি নদীর দূষণ প্রতিরোধ করার লক্ষ্যে। তারা নিজেরাই ঝাড়ু হাতে সাফাই অভিযানে নেমে এলাকা পরিষ্কার রাখার বার্তা দিচ্ছেন।  সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সঙ্গে হাত মিলিয়ে পর্যটন কেন্দ্রের কর্মকর্তারা  পর্যটকদের কাছে আবেদন করছেন।  বড় বড়  ফেস্টুন লাগিয়ে  তাদের আবেদন, কোনমতে ইছামতি দূষণ করবেন না। নদীতে প্লাস্টিক নোংরা আবর্জনা ফেলবেন না।  পর্যটকদের নির্দিষ্ট জায়গায় তাদের প্লাস্টিক থেকে শুরু করে আবর্জনা রাখার জন্য ডাস্টবিন দেওয়া হচ্ছে। পর্যটন কেন্দ্রের মুল  এলাকায় কমবেশি  সরকারি ও বেসরকারি মিলিয়ে প্রায় পঁচিশটা  গেস্ট হাউস আছে। একদিকে মালিক ও তাদের কর্মচারী সঙ্গে ৮৫ নম্বর সীমান্তরক্ষী বাহিনীর কমান্ডার আর লাল  পর্যটনকেন্দ্রের সম্পাদক প্রদ্যুৎ দাস, সমাজসেবী ফারুক গাজীর সঙ্গে কয়েকশ কর্মী মিলিত হয়ে দূষণের প্রতিরোধে নেমেছেন। একদিকে ইছামতি দূষণ প্রতিরোধ অন্যদিকে ইছামতীর পাড়ে যে সব ছোট ছোট দোকানিরা বসে আছে তারা 

 যাতে  ময়লা না ফেলে নদীতে সে ব্যাপারে নজরদারি চলছে  শুক্রবার সকাল থেকে। এই উদ্যোগকে একদিকে যেমন সাধুবাদ জানাচ্ছে স্থানীয়  বাসিন্দারা। পাশাপাশি পর্যটকদের একাংশ একে স্বাগত জানাচ্ছে। তাদের মতে অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে এবং দূষিত নদীতে ভ্রমণের মজাটাই মাটি হয়ে যায়।   পর্যটকদের কাছে ইছামতি দূষণ প্রতিরোধে এই নয়া বার্তা দিতে পেরে খুশির হাওয়া তাদের মধ্যেও। তারা সারা বছর ধরে সর্বত্রই লাগাতার এই কর্মসূচি নিয়েছেন । বিশেষ করে টাকি পর্যটন কেন্দ্রের পক্ষ থেকে সারাবছর ইছামতি  নদীর পাড  বরাবর দিন রাতে নজরদারি চালাবেন বলে জানিয়েছেন সীমান্ত রক্ষীবাহিনীর ৮৫ নম্বর ব্যাটেলিয়ানের আধিকারিক আর লাল সহ পর্যটন কেন্দ্রের সম্পাদক প্রদ্যুৎ দাস। 

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ভিন্ন স্বাদের খবর

...
আপনার ক্যাটাগরি নির্বাচন করুন

Whatsapp Button works on Mobile Device only