রবিবার, ১৭ মে, ২০২০

ভেঙে পড়েছে স্বাস্থ্যসেবা মুম্বইয়ের, মরে পড়ে থাকলেও দেখে না ডাক্তার-নার্স !









                                              লোকমান্য তিলক মিউনিসিপাল জেনারেল হসপিটাল





পুবের কলম  ওয়েব ডেস্ক:
মর্গগুলো পূর্ণ করোনার লাশে, ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে ছড়িয়ে আছে মৃতদেহ। যেখানে লাশ, সেখানেই রোগী, আবার সেখানেই রোগীর আত্মীয়স্বজন।
করোনাভাইরাস মহামারীর বিরুদ্ধে যুদ্ধে ভেঙে পড়েছে ভারতের বাণিজ্যিক রাজধানী  শহর বলে খ্যাত মুম্বইয়ের স্বাস্থ্যব্যবস্থা। শহরের খ্যাতনামা বিশাল হাসপাতাল লোকমান্য তিলক মিউনিসিপাল জেনারেল হসপিটাল (সিওন হাসপাতাল বলেও পরিচিত)। শনিবারও এখানে বেশ কয়েকজনের করোনায় মৃত্যু হয়েছে। ২৬ বছর বয়সী রবির মা তাদের একজন। ওয়ার্ডে মরে পড়ে থাকলেও কোনো ভ্রুক্ষেপ নেই চিকিৎসক-নার্সদের।সংবাদ সংস্থাকে  রবি (আসল নাম নয়) বলেছেন, এখানে তারা ওষুধ আর ডেথ সার্টিফিকেট দেওয়া ছাড়া আর কিছু দিচ্ছে না।
রবি জানান, ১৩০০ শয্যার এ করোনা হাসপাতালে এখন শয্যাপ্রতি তিনজন রোগী। স্টাফরা রাত-দিন পরিশ্রম করে এখন ক্লান্ত। হাজার হাজার বিলিয়নিয়ার, বলিউড আর বসতির নগরী মুম্বাইয়ের চিকিৎসাসেবার ব্যর্থতার প্রতীক হয়ে উঠেছে সরকার পরিচালিত সিওন হাসপাতাল।
গত সপ্তাহেই এ হাসপাতালেরই করুণ একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। তাতে দেখা যায়, বেডে চিকিৎসা চলছে করোনায় আক্রান্ত রোগীদের। আর পাশেই ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পড়ে রয়েছে বেশ কয়েকটি মৃতদেহ। ব্যাগের মধ্যে কোনো রকমে জড়ানো অবস্থায় ফেলে রাখা দেহ সবই করোনা আক্রান্তদের।
এনডিটিভি জানায়, কমপক্ষে সাতটি মৃতদেহ ওয়ার্ডে পড়ে থাকতে দেখা যায়। আর তার পাশেই হাসপাতালের বেডে চিকিৎসা চলছে অন্য রোগীদের। মারা যাওয়ার পরও তাদের দেহ অন্যত্র না সরিয়ে হাসপাতালের মেঝেতে ফেলে রাখা হয়। এ ঘটনায় মহারাষ্ট্র সরকারের বিরোধী এক বিধায়ক নীতেশ রানে ওই ভয়ংকর ভিডিওটি পোস্ট করে লেখেন, সিওন হাসপাতালে রোগীরা মৃতদেহের পাশেই ঘুমিয়ে আছেন। কী চূড়ান্ত গাফিলতির নিদর্শন... এ কেমন প্রশাসন! খুবই লজ্জাজনক।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ভিন্ন স্বাদের খবর

...
আপনার ক্যাটাগরি নির্বাচন করুন

Whatsapp Button works on Mobile Device only