রবিবার, ১৭ মে, ২০২০

রেশন বন্টন নিয়ে অভিযোগ, আচমকাই বারাসাত ও মধ্যমগ্রামের শপে ঢু খাদ্যমন্ত্রীর


পুবের কলম ওয়েব ডেস্ক:  করোনা আবহে রেশন বন্টন নিয়ে বারবার অভিযোগ উঠেছে। কিন্তু রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং রাজ্য সরকার চান রেশন বন্টনের বিষয়টিতে স্বচ্ছতা আসুক। আর সে কারণেই রবিবার ছুটির দিনেও রেশন দোকানগুলিতে আচমকাই পৌঁছে গেলেন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। 

গতকাল কলকাতা ও বিধান নগর এর একাধিক রেশন দোকানে ঘোরার পর এদিন তিনি কলকাতা লাগোয়া শহরতলীর বিভিন্ন জায়গায় ঘুরেছেন। রেশন দোকানে পৌঁছে খাদ্যদ্রব্য ও চালের গুণগতমান ও পরিমাণ নিয়ে খোঁজখবর নিয়েছেন। এমনকি কথাও বলেছেন গ্রাহকদের সঙ্গে।

এদিন রেশন সামগ্রীর গুনগত মান যাচাই করে সন্তোষ প্রকাশ করেন খোদ খাদ্যমন্ত্রী। সেই সঙ্গে,রেশনের চাল ও আটার গুনগুত মান নিয়ে কোনওরকম আপোষ করা হবেনা বলেও তিনি জানিয়ে দেন। এদিন সকালে উত্তর ২৪ পরগনার জেলাসদর বারাসতের ৪ টি ও মধ্যমগ্রামের ১টি রেশন দোকানে আচমকাই হানা দেন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। ফলে কিছুটা হলেও অপ্রস্তুতির মধ্যে পড়ে যান রেশন ডিলাররা। তাদের সামনেই রেশনের চাল ও আটার গুনগুন মান খতিয়ে দেখা হয়।

রবিবার ছুটির দিন হওয়ায় এমনিতেই রেশন দোকানে অন্য দিনের থেকে একটু ভিড় বেশিই থাকে। সেই জন্য ছুটির দিনেই পরিস্থিতি খতিয়ে দেখলেন নিজের চোখে। প্রথমে বারাসতের বামনগাছির কাছে একটি রেশন দোকানে গিয়ে ‘সারপ্রাইজ ভিজিট’ করেন খাদ্যমন্ত্রী।সেখান থেকে আসেন কাজিপাড়ার একটি রেশন দোকানে। এরপর,বারাসত ডাকবাংলোর কাছে আরও দুটি ও মধ্যমগ্রামের একটি রেশন দোকানে হানা দেন খাদ্যমন্ত্রী।

প্রতিটি দোকানে সরকারের দেওয়া রেশনের চাল ও আটার গুনগুন মান ঠিকঠাক আছে কিনা,তা যাচাই করে দেখা হয়।নিজেই সেই কাজ তদারকি করেন খাদ্যমন্ত্রী। সবশেষে,কথা বলা হয় গ্রাহকদের সঙ্গে। সবকিছু খতিয়ে দেখে কলকাতার উদ্দেশ্যে রওনা হন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক।

এদিন পুবের কলম-এর তরফ খাদ্যমন্ত্রীর সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন,বারাসতের চারটি ও মধ্যমগ্রামের একটি রেশন দোকানে সবকিছু খতিয়ে দেখেছি। সেখানে ব্যবস্থাপনা সবকিছু ঠিকই আছে।সব কিছু খুব সুন্দরভাবে চলছে।গ্রাহকরাও খুব সন্তুষ্ট।ব্যবস্থাপনা নিয়ে কেউ কোনও অভিযোগ করেনি।

এদিন তিনি বলেছেন, লকডাউনে অন্তত খাদ্যদ্রব্য নিয়ে কাউকে ভাবতে হবে না। যাদের ডিজিটাল রেশন কার্ড আছে তারা তো রেশন পাচ্ছেনই,যাদের পুরনো কার্ড আছে কিন্তু ডিজিটাল রেশন কার্ড নেই তারা ওরিসন পাবেন।
তিনি বলেন, রেশন সামগ্রীর জন্য রাজ্যকে কেন্দ্রের মুখাপেক্ষী হয়ে থাকতে হবে না।

তিনি এও বলেছেন, কেন্দ্রের দেওয়া চালের তুলনায় রাজ্য সরকারের  রেশনের চাল গুণগত দিক থেকে অনেক ভালো।গ্রাহকরাও রাজ্য সরকারের দেওয়া চালের প্রশংসা করেছে।আমরা লকডাউনে গরিব নিম্নবিত্ত মানুষের কাছে খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দিতে বদ্ধপরিকর।এখানে গুণগত মানের সঙ্গে কোনওসময় আপস করা হবেনা।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ভিন্ন স্বাদের খবর

...
আপনার ক্যাটাগরি নির্বাচন করুন

Whatsapp Button works on Mobile Device only