শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২০

রেল ভাড়ার পয়সা নেই, তাই বাড়ি না ফিরতে পারার আশঙ্কায় শ্রমিকরা!


দেবশ্রী মজুমদার, রামপুরহাট: 

ঘরে ফেরার ট্রেন আছে। কিন্তু পকেটে ভাড়া নেই। তাই বাড়ি ফিরবে করে, এই দুশ্চিন্তার পাহাড় ভেঙে পড়েছে মুম্বাইয়ে আঁটকে থাকা শ্রমিকদের মাথায়। জানা গেছে, মুরারইয়ের চাতরা পঞ্চায়েতের রণপুর গ্রামের ৫০ জন বাসিন্দা আটকে আছেন মুম্বাইয়ের ঘাটকোপর থেকে ২ কিমি দূরে সাকিনাকা এলাকায়। যেখান থেকে রেল স্টেশনের দূরত্ব তিন কিমি। 

এই শ্রমিকদের মধ্যে বেশিরভাগ ওয়েল্ডিংয়ের মিস্ত্রি, আবার কেউ টাটা ক্যান্সার হাসপাতালে চিকিৎসা করতে যাওয়া রোগী। শ্রমিকদের মধ্যে বেশিরভাগ লেবার ক্যাম্পে আছেন।  নিঃস্ব অবস্থায় কেউ খুব কষ্টের মধ্যে ভাড়াতেও আছেন। খাবার পাচ্ছেন। কিন্তু বাড়ি ফেরার সামর্থ্য নেই তাঁদের।

মফিজুদ্দিন খান, নুর খান, নৈমুদ্দিন খান, সিদ্দিক খান, কাশি খান, আব্দুর, বেলাল খানরা বলেন, " মুরারইয়ের বাসিন্দা জাকির খান একজন ছোট মাপের কন্ট্রাক্টর। তাঁর অধীনে সিঁড়ি সহ লোহার কাজ করতেন তাঁরা। লকডাউনের পর কাজ বন্ধ। তার দুই তিন মাস আগে থেকেই মুম্বাইয়ে ছিলেন ভাড়া বাড়িতে। এখন সাইটে লেবার ক্যাম্পে থাকেন। হারুন উল রসিদ ক্যান্সারের চিকিৎসার জন্য মুম্বাইয়ে এসেছেন। তাঁর সাথে আরও দুই জন আছেন। সকলের অবস্থা খারাপ। সরকারি ওয়েবসাইটে উল্লেখ আছে ২১ মে মুম্বাইয় থেকে মালদা পর্যন্ত একটি দূর পাল্লার ট্রেন ছাড়বে। কিন্তু ২৬০০ থেকে ২৭০০ টাকা ভাড়া কোথায় পাব? তাই খুব চিন্তায় আছি। যদি মুখ্যমন্ত্রী কিছু ব্যবস্থা করেন তো ভালো হয়।

এব্যাপারে মুরারই বিধায়ক আব্দুর রহমানকে ফোন করা হলে, তিনিও বিষয়টি দেখার আশ্বাস দেন। এ বিষয়ে জেলা শাসক মৌমিতা গোদারাকে ফোন না ধরার পর, মেসেজ করা হয়। তার উত্তরে তিনি বিষয়টি খোঁজ নেন। তারপর মুরারই ১ ব্লকের বিডিও নিশীথ ভাস্কর পালকে যোগাযোগ করা হয়। তিনি শ্রমিকদের ফোন নং ও ঠিকানা নেন এবং এব্যাপারে যথেষ্ট আশ্বাস দেন।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ভিন্ন স্বাদের খবর

...
আপনার ক্যাটাগরি নির্বাচন করুন

Whatsapp Button works on Mobile Device only