শুক্রবার, ১০ জুলাই, ২০২০

ঈদ-উল-আযহায় পশু কুরবানি নিয়ে কী বলল দেওবন্দ ও শরীয়াহ কাউন্সিল?




পুবের কলম,  নয়াদিল্লি: কুরবানির ঈদ পবিত্র ঈদ-উল-আযহার আর কয়েক সপ্তাহ বাকি৷ কোভিড-১৯ এর বর্তমান পরিস্থিতিতে কুরবানি করা এড়ানো যাবে কি না তা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে৷ দেশের একটি সাম্প্রদায়িক মহল মুসলিমদের ধর্মীয় ব্যাপারে হস্তক্ষেপের জোরদার প্রচেষ্টা চালাচ্ছে৷ দেশের বহু জায়গায় মুসলিমদের পশু কুরবানি করতে নিষেধ করা হচ্ছে৷ কিন্তু উপমহাদেশের বিশ্বখ্যাত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দারুল উলুম দেওবন্দ স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, পশু কুরবানির বিকল্প নেই৷ হযরত ইব্রাহিম আ. পশু কুরবানির মাধ্যমে এই ইবাদত চালু করেছিলেন৷ শেষ নবী হযরত মুহাম্মদ সা.এর সময়েও তা যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়েছে৷ কোনও প্রেক্ষাপটেই একজন সামর্থ্যবান মুসলিম আল্লাহকে রাজিখুশি করার উদ্দেশ্যে কুরবানি করা থেকে বিরত থাকতে পারেন না৷ এই একই সুর শোনা গেছে জামায়াতে ইসলামি হিন্দের শরীয়াহ কাউন্সিলের কণ্ঠেও৷ তাদের মত, লকডাউন বিধি মেনেই দেশের মুসলিমরা কুরবানি করুক৷ এতে কোনও অসুবিধা নেই৷ তার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা তারা নিতে পারে৷ এটা কোনও প্রথা নয়৷ আল্লাহর নির্দেশ৷ কোনও দানখয়রাত বা সমাজসেবা কুরবানির বিকল্প হতে পারে না বলে শরীয়াহ কাউন্সিল জানিয়েছে৷

জামায়াতে ইসলামির শরীয়াহ কাউন্সিল নির্দিষ্ট গাইডলাইনও দিয়েছে৷ রাস্তা, ফুটপাতের উপর কুরবানি করতে নিষেধ করা হয়েছে৷ স্বাস্থ্যবিধি ও পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার দিকে কাউন্সিল বিশেষ গুরুত্ব দিতে অনুরোধ জানিয়েছে৷ কুরবানির পর রক্ত, হাড় যেন যথাস্থানে ফেলা হয় সে পরামর্শও তারা দিয়েছে৷ কোভিড-১৯ এর প্রেক্ষাপটে ঈদ-উল-ফিতরের নামায দেশের মুসলিমরা বাড়িতেই আদায় করেছিলেন৷ ঈদ-উল-আযহাও বাড়িতেই পালন করার অনুরোধ জানিয়েছে শরীয়াহ কাউন্সিল৷ এদিকে দেওবন্দ আরও জানিয়েছে, কেউ যদি নির্দিষ্ট দিনে কুরবানি করতে সক্ষম না হন, তবে তাকে কুরবানির পশুর সমপরিমাণ অর্থ দরিদ্রদের মাঝে বিতরণ করতে হবে৷

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ভিন্ন স্বাদের খবর

...
আপনার ক্যাটাগরি নির্বাচন করুন

Whatsapp Button works on Mobile Device only