বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই, ২০২০

আমফানের ক্ষতিগ্রস্তদের ফর্ম জমার ভিড়ে পদপিষ্ট হয়ে একাধিক মহিলা আহত, কুলতলি হাসপাতালে ভর্তি

পুবের কলম ওয়েব ডেস্ক: আমফানের ক্ষতিপূরণের অর্থ আত্মসাতের ঘটনা বেড়ে চলেছে সুন্দরবন লাগোয়া দক্ষিণ ২৪ পরগনায়।বেশির ভাগ ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে শাসক দলের প্রধান, উপপ্রধান, সদস্য থেকে শুরু করে পঞ্চায়েত সমিতির বিভিন্ন কর্মাধ্যক্ষরা নিজেদের ও নিজেদের আত্মীয় পরিজনদের নামে কয়েক লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করেছেন। কিছু কিছু বিরোধী সদস্যরা ও এই কাজে অংশীদার হয়েছেন। আর আমফানে ক্ষতিগ্রস্থ অসহায় গরীব মানুষেরা তাদের ভাঙা ঘর মেরামত করতে  পারছে না শুধুমাত্র টাকার অভাবে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই দুর্নীতি বন্ধ করতে ক্ষতিগ্রস্থদের সরাসরি বিডিও বা থানাতে ফর্ম জমা করতে বলেছেন।

গত সপ্তাহের বৃহস্পতিবার থেকে প্রতিটা বিডিও অফিসে এই ফর্ম জমা নেওয়ার কাজ চলছে।যা ২ জুলাই অবধি জমা দেওয়া যাবে। আর এদিন শেষ দিন থাকায় বুধবার রাত থেকে কুলতলিতে প্রচুর অসহায় মানুষের ভিড়ের লাইন পড়ে বিডিও অফিসের সামনে।এদিন সকালে অফিস খুলে ফর্ম জমা নেওয়ার কাজ শুরু হলে ঠেলাঠেলি ও ধাক্কাধাক্কি শুরু হয়ে যায় এই লাইনে। এক দিকে প্রচন্ড গরম আর অন্য দিকে কয়েক হাজার মানুষের ভিড়। আর এই ভিড়ের চাপে অসীমা হালদার ও সন্ধ্যা গায়েন নামে দুই মহিলা পড়ে যান। আর তাদের গায়ের উপর দিয়ে কয়েকশো মানুষ মাড়িয়ে দিয়ে যান।

ঘটনা স্থলে থাকা পুলিশ ও স্থানীয় মানুষের সহায়তায় আহতদের কুলতলি ব্লক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।এই কপি লেখা অবধি তাঁরা হাসপাতালে ভর্তি আছেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গেল, এদিন প্রায় ২০-২২ হাজার মানুষ এই ফর্ম জমা দিতে এসেছিল। সামাজিক দূরত্ব বজায় না রেখে এভাবে এত মানুষকে এক জায়গায় দাঁড়ানোর ব্যবস্থা কেন করলেন তা নিয়ে ব্লক প্রশাসনের দিকেই আঙুল তুলেছেন স্থানীয় মানুষজন।

এ ব্যাপারে বারুইপুর মহকুমা শাসক দেবারতি সরকার বলেন, এক সঙ্গে এত মানুষ এক দিনে চলে আসবে তা ব্লক প্রশাসন বুঝতে পারিনি। আর গরম ও প্রচুর ভিড়ের চাপে এই দুর্ঘটনা ঘটে গেছে। আহতদের চিকিৎসা চলছে।এই ঘটনার পরে কুলতলি থানার ওসি সুমন দাস নিজে ভিড়কে নিয়ন্ত্রণ করে। দুপুরের পর থেকে এলাকা স্বাভাবিক বলে মহকুমা শাসক জানালেন।     

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ভিন্ন স্বাদের খবর

...
আপনার ক্যাটাগরি নির্বাচন করুন

Whatsapp Button works on Mobile Device only