শনিবার, ২৫ জুলাই, ২০২০

অতিরিক্ত ঘুমও ক্ষতিকারক


পুবের কলম ওয়েব ডেস্ক: অতি মানেই ক্ষতি। ঘুমও তার ব্যতিক্রম নয়। অনেকে মনে করেন, দীর্ঘক্ষণ ঘুম মানে শরীর ভালো থাকবে। কিংবা দেহমনে সুস্থ আছে বলেই এত বেশি ঘুম হচ্ছে। সুতরাং নিঢাল ঘুম অবশ্যই ভালো লক্ষণ। কিন্তু চিকিৎসা বিজ্ঞান বলছে,অতিরিক্ত ঘুম মোটেই ভালো নয়। ব্যস্ত জীবনে শরীরকে সুস্থ রাখতে পর্যাপ্ত ঘুম হতে হবে। তবে তা যেন আদৌ অতিরিক্ত না হয়। অনেকের ক্ষেত্রে দেখা যায়, রাতে পর্যাপ্ত ঘুম না হওয়ায় সারাদিন ঘুম ঘুম ভাব থাকে। এটাও কাম্য নয়। অনেকে আবার কাজের ব্যস্ততায় কিংবা মানসিক দুশ্চিন্তার কারণে ভালোভাবে ঘুমোতে পারেন না। ঘুম যেন তাদের কাছে রীতিমতো চ্যালেঞ্জিং বিষয়। পর্যাপ্ত ঘুম বলতে বোঝানো হয় রাতের বেলা ৬-৭ ঘণ্টা ঘুমোনো। রাতের ঘুম বারে বারে ভেঙে যাওয়া বা ছেদ পড়াটা যেমন ক্ষতিকারক, অতিরিক্ত ঘুমও তেমনি ক্ষতিকারক।

কারণ, কাজের চাপে অনেকেই অধিক রাতে ঘুমোতে যান। ফলে ঘুম ভাঙতে দেরি হয়। সেক্ষেত্রে গবেষকরা বলছেন– রাত ৯-১০টার মধ্যে ঘুমোনো এবং ভোর ৫টা নাগাদ ঘুম থেকে ওঠার অভ্যাস করতে পারলে দেহমনে সুস্থ থাকা সম্ভব। আবার ঘুম ঠিকঠাক না হওয়ার অন্যতম কারণ হল লাইফস্টাইল। অর্থাৎ দৈনন্দিন জীবনযাপনের ধরন বা নিত্য অভ্যাস। এর মধ্যে কাজকর্ম থেকে খাদ্যাভ্যাস সবকিছুই পড়ে। সর্বোপরি স্ট্রেস, অ্যাংজাইটি,ডিপ্রেসন ইত্যাদি ঘুমের চরম শত্রু। পাশাপাশি মোবাইলে আসক্তি ঘুমের দুশমন হয়ে উঠেছে। এগুলো কাটানোর চেষ্টা করতে হবে। কারণ, এগুলো শুধু ঘুমেই ব্যাঘাত ঘটায় না। বহু দূরারোগ্য রোগের জন্ম দেয়। তাই মন ভালো রাখার ব্যাপারে সচেষ্ট হতেই হবে।

অন্যদিকে গবেষকরা বলছেন, অতিরিক্ত ঘুমের কারণে স্থ(লতা দেখা দেয়। আর মেদ বা স্থ(লতা বহু রোগের জন্ম দেয়। যদিও মোদ্দা কথা হল, ঘুম কম কিংবা বেশি দুইয়ের ওপরেই রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা যায়। সুতরাং এক্ষেত্রে প্রেসক্রিপশন হল, পর্যাপ্ত ঘুম সর্বোত্তম। এটাই সুস্থ থাকার পাসওয়ার্ড।       

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ভিন্ন স্বাদের খবর

...
আপনার ক্যাটাগরি নির্বাচন করুন

Whatsapp Button works on Mobile Device only