শনিবার, ৪ জুলাই, ২০২০

প্লাস্টিকের দোসর ই-বর্জ্য, উদ্বেগ প্রকাশ করল রাষ্ট্রসংঘ

৫ বছরে জমা হয়েছে  ৫০ মিলিয়ন টন বর্জ্য
জেনেভা, ৪ জুলাই: বাড.ছে প্লাস্টিকের ব্যবহার, এরই সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বিশ্বে বাড.ছে ই-বর্জ্য। বৈদ্যুতিক বর্জ্য পাঁচ বছরে ২০ শতাংশ বেড়ে ৫০ মিলিয়ন টন ছাড়িয়েছে। কিন্তু প্রযুক্তি নির্মাতারা বিশ্বের এই ক্রমবর্ধমান বর্জ্য সমস্যা এড়িয়ে যাচ্ছেন। এ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে রাষ্ট্রসংঘ। ভাঙা বা পরিত্যক্ত স্মার্টফোন, কম্পিউটার, ওয়াশিং মেশিন ও রেফ্রিজারেটরের মতো ঘরের বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম এবং বৈদ্যুতিক গাড়ির যন্ত্রাংশ  বেডে. চলেছে প্রতিনিয়ত। 

রাষ্ট্রসংঘের বার্ষিক রিপোর্টে বলা হয়, প্রতিবছর যে পরিমান ই-বর্জ্য হচ্ছে তার মূল্য ৫৫ বিলিয়ন ডলার (৫০ বিলিয়ন ইউরো)। ২০১৯ সালে ৫৩ মিলিয়ন টন ই-বর্জ্যরে মধ্যে মাত্র ১৭ শতাংশ পুনব্যবহারের উপযোগী করা হয়, বাকিটা স্তুপ করে অথবা ভাগাড়ে ফেলে রাখা হয়। রিপোর্টে বলা হয়, ডিভাইসগুলোর স্বল্পমেয়াদ এবং রিসাইকেল অবকাঠামোর অভাবে ই-বর্জ্য ক্রমাগত বাড়ছে। আন্তর্জাতিক সলিড ওয়েস্ট অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট এন্তোনিস মাভরোপুলস বলেছেন, ‘বিশ্বের জনসংখ্যার তুলনায় ই-বর্জ্য তিন গুণ বৃদ্ধি পাচ্ছে। 

এটি স্বাস্থ্য ও পরিবেশের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলছে এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সমন্বিত অর্থনীতির জন্য এ বিষয়টিতে নজর দেয়া জরুরি।’ ২০১৯ সালে সবচেয়ে বেশি ই-বর্জ্য তৈরি হয়েছে এশিয়ায় (২৪.৯ মিলিয়ন টন), এরপরে আমেরিকায় ১৩.১ মিলিয়ন টন, ইউরোপে ১২ মিলিয়ন টন এবং আফ্রিকা ও ওসিয়ানিয়ায় যথাক্রমে ২.৯ এবং ০.৭ মিলিয়ন টন বর্জ্য তৈরি হয়েছে। রাষ্ট্রসংঘ সতর্ক করে দিয়ে বলেছে, ই-বর্জ্যে মানব স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর উপাদান রয়েছে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ভিন্ন স্বাদের খবর

...
আপনার ক্যাটাগরি নির্বাচন করুন

Whatsapp Button works on Mobile Device only