সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২০

কেন বিশ্ব ভারতীর জায়গা ঘেরা হচ্ছে, কি ব্যাখ্যা দিচ্ছে কর্তৃপক্ষ? জানতে বিস্তারিত পড়ুন



দেবশ্রী মজুমদার, শান্তি নিকেতন:  কেন বিশ্ব ভারতীর জায়গা ঘেরা হচ্ছে, ব্যাখ্যা বিশ্ব ভারতীর।  সেই প্রসঙ্গের  শুরুতে বিশ্ব ভারতী জানিয়েছে,  এলাকায় ২২ কিমি ঘেরার কাজ সম্পন্ন। ৫ কিমি ঘেরার কাজ চলছে। ৩ কিমি ঘেরার কাজ পরিকল্পনার মধ্যে রয়েছে। রবীন্দ্র ভবন, চিনা ভবন, দু-একটি খেলার মাঠ ছাড়া ২০০৪ সাল পর্যন্ত বিশ্ব ভারতী ক্যাম্পাস ঘেরার কোন পরিধি ছিল না। 

২০০৪ সালে নোবেল পুরস্কার ও অন্যান্য জাতীয় সম্পদ চুরি যাওয়ার পর উচ্চ পর্যায়ের কমিটি  ক্যাম্পাস সুরক্ষা, বিশ্ব বিদ্যালয়ের জায়গা যা অধিকৃত এবং বিভিন্ন রাস্তা যা বিশ্ব বিদ্যালয়ের এলাকা দিয়ে গেছে ইত্যাদি বিষয়ে জোর দেন। তদানীন্তন সিবিআইয়ের যুগ্ম অধিকর্তা, হরিপদ রায় আই এস, ব্রিগেডিয়ার এস কে ভট্টাচার্য, শ্যামল কান্তি চক্রবর্তী প্রমুখের নেতৃত্বে রিপোর্ট ইউ জি সির কাছে জমা পড়ে ২০০৪ সালেই। তার ভিত্তিতে। বিশ্ব ভারতী তার প্রেক্ষিতে ২০০৫ - ২৫ সাল পর্যন্ত একটি রেজ্যুলেশন করে ২০০৬ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি কর্ম সমিতির বৈঠকে। জেলা প্রশাসনের প্রস্তাব, এই সমস্ত রিপোর্টের ভিত্তিতে ভারত সরকারের বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের  ১০ কোটি টাকার তহবিল দিয়ে এই ঘেরার দীর্ঘ প্রক্রিয়া চলতে শুরু করে। কাজ ধীর গতিতে চলে ২০০৮ সাল পর্যন্ত, কারণ বিভিন্ন সময়ে মানুষের বাধার জন্য। ২০০৮ সালে সঙ্গীত ভবনের ছাত্রী শাস্বতী পাল খুন হওয়ার পর কাজে গতি পায়। যদিও, বিশ্ব ভারতীর এই আহ্বানে প্রবীণ আশ্রমিকদের একাংশ কর্তৃপক্ষের সদিচ্ছার অভাবকেই প্রকট করেছেন।কেন পাঁচিল বা বেড়া প্রয়োজন সে ব্যাপারে বার্তা দেওয়া হবে। বিশ্ব বিদ্যালয় চায় যাতে কোন পড়ুয়া আক্রমণের শিকার না হয়। যেটা সাম্প্রতিক অতীতে ঘটেছে। মেয়েদের হোস্টেলে এসে একজন মেয়ের সঙ্গীকে খুন করা হয়। আরেকবার এক স্বামী স্ত্রী বিশ্ব বিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে আত্মহত্যা করেন। সেই কারণে এগুলো দরকার, যাতে বিশ্ব ভারতীর সম্মান নষ্ট না হয় বা এই অপ্রীতিকর ঘটনা এড়ানো যায়। 

মিউজিয়ামের মূল্যবান জিনিস পত্র সুরক্ষার জন্য এই সুরক্ষা নেওয়ার প্রয়োজনীয়তা আছে। ক্যাম্পাসের মধ্যে একটি রেস্তোরাঁ আছে। যেখানে বহিরাগত ক্রেতারা আসে এবং প্রতিমা হোস্টেল ও সঙ্গীত ভবনের মেয়েদের বিরক্ত করে। আর বিশ্ব বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সজাগ দৃষ্টি রাখা সত্বেও এ সবের জন্য উপাচার্য ও তার আধিকারিকদের দায়ী করা হয়। যে সমস্ত আশ্রমিকরা যাঁরা রবীন্দ্র ভাবনা ধারা প্রাণিত, তাঁরা যদি এই নিরাপত্তার দিকটি ভেবে দেখেন, তাহলে বাধিত হবে বিশ্ব ভারতী। পাশাপাশি, জেলা প্রশাসনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেয় বিশ্ব ভারতী। অভিযোগ, বার বার জানানো সত্ত্বেও, প্রতিমা হোস্টেল ও কলাভবনের অধ্যাপক তথা নন্দলাল বসু ও অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শিষ্য সুরেন্দ্রনাথ করের বাড়ি এলাকায় বহিরাগত আঁটকানোর ব্যাপারে কোন ব্যবস্থা নেয় নি প্রশাসন। সেই এলাকায় রেস্তোরাঁ থাকায় ছাত্রীদের নিরাপত্তা বিঘ্নিত

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ভিন্ন স্বাদের খবর

...
আপনার ক্যাটাগরি নির্বাচন করুন

Whatsapp Button works on Mobile Device only