বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২০

বন্যপ্রাণী আর মানুষের সংঘাত এড়াতে অভিনব উদ্যোগ উত্তরে! বিস্তারিত পড়ুন



জলপাইগুড়ি, রুবাইয়াউত্তরবঙ্গে হাতির হানায় হামেশায় মানুষের মৃত্যু ঘটেএছাড়াও হাতির উপদ্রবে ফসলেরও ব্যপক ক্ষতি হয়তাই হাতির সঙ্গে মানুষের সংঘাত এড়াতে এক অভিনব পন্থা অবলম্বন করবে বন বিভাগ এবার থেকে হাতিদের আর তাড়ানো হবে না, তাদের সুরক্ষিতভাবে গাইড করে বনে ফেরানো হবে উত্তরবঙ্গে হাতিদের বনে ফেরানোর জন্য এই প্রথম এমন পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে এতে সফল হলে উত্তরবঙ্গজুড়ে হাতি উপদ্রুত এলাকায় হাতি-মানুষ সংঘাত দূর করা সম্ভব হবে বলে মনে করছে বন বিভাগ কার্সিয়াং বন বিভাগের বাগডোগরা রেঞ্জ এবং টুকরিয়া রেঞ্জ কতৃপক্ষের সঙ্গে যৌথভাবে এই কাজ করছে নেচার ওয়াইল্ডলাইফ অ্যাসোসিয়েন  এবং সেভ এলিফ্যান্ট ফাউন্ডেশন নামে দুটি পরিবেশপ্রেমী সংগঠনপ্রায় প্রতিদিন তরাই-ডুয়ার্সে হাতি-মানুষ সংঘাতের ঘটনা ঘটছে গত বছর শুধু কার্সিয়াং বন বিভাগের এলাকায় হাতির হানায় জন মারা গিয়েছেন এর মধ্যে সংরক্ষিত বনাঞ্চলে জন, লোকালয়ে মারা গিয়েছেন জন লোকালয়ে হাতির হানায় মৃত্যুতে বন বিভাগকে মোট ৫০ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে হয়েছে বাগডোগরার রেঞ্জ অফিসার সমীরণ রাজ জানান, হাতিদের পুরোনো অভ্যাস পরিবর্তন করা কঠিন কিন্তু উত্তরবঙ্গে এই প্রথম যে পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, তাতে ফসল-বাড়ির ক্ষতি প্রাণহানি রোধ করা যাবে বলে বনবিভাগের কর্মীরা আশাবাদীজানা যায়,এই পন্থা সাফল্য পেলে উত্তরবঙ্গের যেসব জায়গায় হাতির উপদ্রব বেশি, সেখানে এই ব্যবস্থা কাজে লাগানো যাবেতিনি বলেন, আমরা পর্যবেক্ষণ করে হাতির মুভমেন্টের করিডরগুলি চিহ্নিত করেছি বাগডোগরা এবং টুকরিয়া রেঞ্জের এলাকায় ১০টি করিডর রয়েছে একটি সংরক্ষিত বন থেকে অথবা লোকালয় থেকে হাতিদের সেই করিডর দিয়ে অত্যন্ত সুরক্ষিতভাবে বনে ফেরত পাঠানো হবে, তবে তাড়িয়ে নয়, গাইড করে হাতির করিডরে মানুষ ভিড় করে দাঁড়িয়ে থাকেন অনেকেই সামনে গিয়ে ছবি তোলার জন্য উৎসাহী হয়ে ওঠেন এজন্য হাতিরা তাদের পথ পরিবর্তন করে তাঁর মতে, এতে আরও বেশি ক্ষতি হয়, নাগালের মধ্যে মানুষ এলে হাতি তাঁদের আক্রমণ করেঅবশ্য এই কাজের জন্য বেশ কয়েকজনের টিম গঠিত হবে বলে জানা যায়উত্তরের মানুষও খুশি এই উদ্যোগে   

 

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ভিন্ন স্বাদের খবর

...
আপনার ক্যাটাগরি নির্বাচন করুন

Whatsapp Button works on Mobile Device only