শনিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২০

উইঘুর নির্যাতন চরমে তুলতে চলেছে চিন! তৈরি হচ্ছে আরও কঠোর বন্দি শিবির



পুবের কলম ওয়েব ডেস্ক: গুটিকয়েক খবর উঠে আসে চোখের সামনে। কমিউনিস্ট আধিকারিকদের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে স্বাধীন সাংবাদিকতা সম্ভব হয়ে ওঠে না চিনের বহু প্রদেশেই। সংখ্যালঘু উইঘুর অধ্যুষিত শিনজিয়াং তেমনই এক জায়গা। উইঘুর মুসলিমদের হাতে না মেরে ভাতে মারার পরিকল্পনা চলছে দীর্ঘদিন ধরে। উইঘুরদের বিরুদ্ধে দমন-নির্যাতনের বহু প্রমাণ ও তথ্য লোপাট করে দিয়েছে চিন। কিন্তু স্যাটেলাইট থেকে তথ্য তো আর মোছা সম্ভব নয়। স্যাটেলাইট ছবি ও তথ্য বিশ্লেষণের ওপর ভরসা করেই এখন থেকে চিনের সমালোচনায় সরব হয়েছে বিশ্ব। 

সম্প্রতি জানা গিয়েছে,সংখ্যালঘু উইঘুর মুসলিমদের বন্দি রাখতে গোপনে শতশত আটক শিবির তৈরি করেছে চিন সরকার। বিগত ৩ বছর ধরে নির্মিত হয়েছে হাইসিকিউরিটি বন্দিশালা। কয়েকটি বন্দিশিবিরের ধারণক্ষমতা ১০ হাজারেরও বেশি। এই প্রতিবেদন ও তথ্য থেকে এটা স্পষ্ট যে, উইঘুরদের বিরুদ্ধে চিন আজও তাদের অমানবিক অবস্থান ধরে রেখেছে। 

তদন্তে উপগ্রহ চিত্র বিশ্লেষণ এবং বন্দি শিবির থেকে পালানো কয়েকজনের সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে জানা গেছে, ২০১৭ সালের পর থেকে ২৬০ টির বেশি কাঠামো নির্মাণ করেছে চিন। হেনিশান বারডিবেক (৪৯) একসময় চিনের তাচেং অঞ্চলে বন্দি ছিলেন। তাঁর কথায়, ‘সেখানে ভয়ানকভাবে জীবনযাপন করছে সকলে। কিছু তরুণ আমাদের মত সহনশীল নয় তারা কেঁদেছে, চিৎকার করেছে।’ 

এছাড়া, উইঘুর যুবতীদের জোর করে নির্জন কারাবাসে নিয়ে যাওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। সংখ্যালঘু কাজাখ অরিনবেক ককসেবেক ২০১৭ সালের শেষ দিকে বন্দিশিবিরে আটক হয়েছিলেন। তাঁর মুখ থেকে শুনেই বন্দিশিবিরের বহু অজানা তথ্য জানা যায়। অঝোরে কাঁদতে কাঁদতে অরিনবেক বলেন, চিনা আধিকারিকরা উইঘুর মুসলিমদের ওপর যেভাবে অত্যাচার চালাতো তা সত্যিই ছিল দম বন্ধ হয়ে যাওয়ার মতো। 

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ভিন্ন স্বাদের খবর

...
আপনার ক্যাটাগরি নির্বাচন করুন

Whatsapp Button works on Mobile Device only