শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২০

তামিলনাড়ুতে ফের 'পুলিশের মারে' তরুণের মৃত্যু, গাছ থেকে উদ্ধার ঝুলন্ত দেহ



চেন্নাই, ১৮ সেপ্টেম্বর: পুলিশি হেফাজতে এক ব্যবসায়ী ও তাঁর ছেলের মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তাল হয়ে উঠেছিল তামিলনাড়ু। অভিযোগ, পুলিশের বেদম প্রহারে মারা যান তারা। এবার একই অভিযোগে কাঠগড়ায় সেই তামিলনাড়ু পুলিশ। 'পুলিশের অত্যাচারে' মৃত্যু হয়েছে ২০ বছরের এক তরুণের। পরিবারের অভিযোগ, তাঁকে মেরে গাছে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়।


নিহত যুবকের নাম কে রমেশ। ঠিক কী হয়েছে ঘটনাটি? স্থানীয় সূত্রে খবর, কিছুদিন আগে তাঁর দাদা ইদ্যাখানি এলাকার এক নাবালিকাকে নিয়ে পালিয়ে যায়। নাবালিকার বাবা পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ ইদ্যাখানির দুই ভাই রমেশ ও নরেশ এবং তাঁদের মাকে থানায় আসতে বলে। কিন্তু কেউ থানায় যায়নি বলে অভিযোগ।


এরপরই বুধবার সন্ধেয় কয়েকজন পুলিশ কর্মী ইদ্যাখানির বাড়িতে আসেন। সেইসময় বাড়িতে নরেশ ও তাঁদের মা ছিল। বৃহস্পতিবার সকালে তাঁদের থানায় দেখা করার নির্দেশ দিয়ে কর্মীরা চলে আসেন বলে জানায় পুলিশ। ফেরার পথে রাস্তায় রমেশের সঙ্গে তাঁদের দেখা হয়। অভিযোগ, সেই সময় রমেশের বাইক কেড়ে নিয়ে থানায় চলে যায়। পরের দিন সকালে গিয়ে থানা থেকে ছাড়িয়ে নিয়ে যেতে বলে। এরপরই গাছ থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় রমেশের দেহ উদ্ধার হয়। 


পরিবারের অভিযোগ, শুধু মোটরবাইক নয়, রমেশকেও থানায় তুলে নিয়ে গিয়েছিল পুলিশ। সেখানে তাদের বেধড়ক মারে মৃত্যু হয় রমেশের। পরে নিজেদের দোষ ঢাকতে গাছে দেহ ঝুলিয়ে দিয়ে যায়। 


এই ঘটনায় ক্ষোভে ফেটে পড়ে গ্রামবাসীরা। গাছ থেকে দেহ নামিয়ে ঘিরে দীর্ঘক্ষণ বিক্ষোভ দেখায়। ছেলের মৃত্যুতে ২৫ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়েছে পরিবার। বিষয়টি খতিয়ে দেখতে এলাকায় যায় পুলিশ সুপার। তামিলনাড়ুতে বারবার এই একই অভিযোগ ওঠায় বিরোধীদের দাবি, পুলিশ আইনের পথে চলছে না। যাদের মানুষকে রক্ষা করার কথা, তারাই অত্যাচারী হয়ে উঠেছে। যারা এই বর্বরতার জন্য দায়ী, তাদের কঠোর শাস্তি দিতে হবে।





একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ভিন্ন স্বাদের খবর

...
আপনার ক্যাটাগরি নির্বাচন করুন

Whatsapp Button works on Mobile Device only