শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২০

গোর্খাল্যান্ডের দাবি পূরণে অমিত শাহকে চিঠি মেঘালয়ের ম‍ুখ্যমন্ত্রীর



পুবের কলম প্রতিবেদকঃ বাংলার উত্তরের পাহাড়জুড়ে এখন অপার শান্তি বিরাজ করছে। করোনা পরিস্থিতিতে জনজীবন বেশ খানিকটা থমকে গেলেও উন্নয়নের স্বাদ পেয়ে বিচ্ছিন্নতার দাবি আন্দোলন থেকে সরে গিয়েছেন গোর্খা আন্দোলনের নেতারা। কয়েকজন অভিযুক্ত নেতা গা ঢাকা দিলেও বেশিরভাগই বাংলার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের সঙ্গে সমন্বয় করেই পার্বত্য পরিষদের মাধ্যমে কাজ করছেন। এমন শান্ত পরিস্থিতির মধ্যেই ফের গোর্খাল্যান্ড নিয়ে ধুয়ো তুলতে শুরু করেছে কেন্দ্রের শাসক এনডিএ-র শরিক দল। ২০২১-এর নির্বাচনের আগে বাংলাকে অশান্ত করতে চাইছে একটি নির্দিষ্টমহল--- উঠছে এমনও প্রশ্ন।


বাংলায় যখর পৃথক গোর্খাল্যান্ডের দাবি থেমে গেছে, তখন গোর্খাল্যান্ডের পক্ষে সওয়াল শুরু করলেন মেঘালয়ের ম‍ুখ্যমন্ত্রী কনরাড সাংমা। মেঘালয়ে এখন বিজেপির সহযোগিতা ও সমর্থন নিয়ে ন্যাশনাল পিপল পার্টির শাসন চলছে। কনরাড সেই সরকারের ম‍ুখ্যমন্ত্রী হয়ে কী করে অন্য রাজ্য ভেঙে আর একটি নতুন রাজ্যের দাবি জানাতে পারেন, তা নিয়েও প্রশ্নের অবকাশ থেকে যাচ্ছে। সম্প্রতি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে একটি চিঠি পাঠিয়েছেন মেঘালয়ের ম‍ুখ্যমন্ত্রী। সেই চিঠিতে তিনি, গোর্খাল্যান্ডের পক্ষে সমর্থন জানিয়ে আবেদন করেছেন যাতে দ্রুত নয়া রাজ্য গঠন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়।


অমিত শাহকে লেখা চিঠিতে দেশের স্বাধীনতার যুদ্ধে গের‍ুয়াদের অবদানের কথা ত‍ুলে ধরেছেন সাংমা। তাঁর দাবি, গের‍ুয়াদের নিজস্ব পরিচিতির জন্যই গোর্খাল্যান্ড তৈরি হওয়া প্রয়োজন। কনরাডের মতে, ‘বিভিন্ন সময়ে দেশের হয়ে লড়াইয়ের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে গের‍ুয়া সমাজ। গোর্খাল্যান্ডের দাবি বহু পুরনো। দেশ রক্ষায় বহুবার নিজেদের প্রাণ বিসর্জন দিয়েছেন গোর্খাল্যান্ড। তাঁরাও দেশের নাগরিক।


জানা গিয়েছে, সেপ্টেম্বরের ৪ তারিখ অমিত শাহকে চিঠি পাঠান কনরাড। তবে বুধবার বিষয়টি প্রকাশ করে এনডিএ-র জোটসঙ্গী ন্যাশনাল পিপলস পার্টি। পশ্চিমবঙ্গে আসন্ন নির্বাচনের আগে, যেখানে বিজেপি বাংলাকে পাখির চোখ করেছে সেই সময় বাংলা ভাঙার দাবি নিয়ে শরিক দলের এমন চিঠি সম্পর্কে কী বলবেন বঙ্গ বিজেপি-র নেতারা? এখনও তা জানা যায়নি।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ভিন্ন স্বাদের খবর

...
আপনার ক্যাটাগরি নির্বাচন করুন

Whatsapp Button works on Mobile Device only