শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২০

একবালপুরে মাকে খুন, দুই মেয়ের ওপরও প্রাণঘাতী হামলা



প‍ুবের কলম প্রতিবেদক‌:  এক আত্মীয়ের সঙ্গে মেয়ের বিয়ে দিতে রাজি ছিলেন না একবালপুর এলাকার বাসিন্দা আকিদা খাতুন ( ৪৫ )। আর এই কারণেই এক আত্মীয়ের সঙ্গে তুমুল বচসা। শেষপর্যন্ত ধারালাে অস্ত্রের কোপে এবং মাথায় শিলনােড়ার আঘাতে প্রাণ হারাতে হল আকিদা খাতুনকে। একইসঙ্গে হামলাকারী আত্মীয়ের ধারালাে অস্ত্রের আঘাতে মারাত্মকভাবে জখম হয়েছে আকিদা খাতুনের দুই মেয়েও। তারা এখন সঙ্কটাপন্ন অবস্থায় এসএসকেএম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। 


এদিকে মঙ্গলবার দুপুরে হামলাকারী আত্মীয় সুলতান আনসারি নামে এক যুবক কাণ্ডজ্ঞানহীন কাজটি করার পর একবালপুর থানায় গিয়ে পুলিশের সামনে নিজের দোষ কবুল করে। স্থানীয় এবং পুলিশ সূত্রে খবর একবালপুর থানার অধীন ড. সুবীর চ্যাটার্জী রােডে একটি বাড়িতে মঙ্গলবার দুপুরে মা আকিদা খাতুন ও তার দুই মেয়ের রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার হয়। প্রত্যেককেই পুলিশ উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়। পুলিশ প্রাথমিক তদন্তে জানতে পারে, পারিবারিক বিবাদ হয়েছিল। তারপরই এই ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর ঘটনাস্থলে পৌঁছন কলকাতা পুরসভার প্রশাসক ফিরহাদ হাকিম।


তিনি পুলিশের কাজে তদারকির পর জানান , পুরসভা যাওয়ার পথে চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি শুনে ছুটে আসেন। প্রাথমিক অবস্থায় তিনি পুলিশের থেকে জেনেছেন পারিবারিক অশান্তির জেরেই ঘটনাটি ঘটে। পুলিশ যাতে ঘটনার যথাযথ তদন্ত করে সে ব্যাপারেও আশ্বাস দেন তিনি।


স্থানীয় কয়েকজন জানিয়েছেন, এদিন বারােটা, সাড়ে বারােটা নাগাদ ওই বহুতল বাড়ির উপরে চিৎকার চেঁচামেচির আওয়াজ শুনতে পান  তারা। ওই সময় আকিদার স্বামী হারুন রশিদ বাড়িতে ছিলেন না। ওই সময় অভিযুক্ত সুলতান আনসারির সঙ্গে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় হয়। তাদের অনুমান, ওই সময়েই সুলতান আনসারী হামলা চালায় আকিদা ও তার মেয়েদের ওপর। এরপর কোনও সময় ঘটনাস্থল থেকে বেরিয়ে অভিযুক্ত সােজা থানায় চলে যায়। এদিকে স্থানীয়রা থানায় খবর দেয় । পুলিশ এসে দেহ উদ্ধার ও তদন্ত প্রক্রিয়া শুরু করে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ভিন্ন স্বাদের খবর

...
আপনার ক্যাটাগরি নির্বাচন করুন

Whatsapp Button works on Mobile Device only