শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২০

রোহিঙ্গা নিপিড়ন ও গণহত্যার দায় এড়াতে চাইছেন মায়ানমার সরকার


মায়ানমারের রোহিঙ্গাদের ওপর নির্মম অত্যাচার,  নিপীড়ন, গণহত্যার, গণধর্ষণের অভিযোগ দেশটির সেনাবাহিনীর দুই সদস্য স্বীকার করে নেয়ায় চরম চাপের মুখে পড়েছে মায়ানমার সরকার। এবার দোষ স্বীকার করা দুই সেনাসদস্যের কাছ থেকে জোরপূর্বকভাবে স্বীকারোক্তি আদায় করা হয়েছে বলে পাল্টা অভিযোগ এনেছে তারা।


বর্তমানে নেদারল্যান্ডসের দ্য হেগ শহরে অবস্থান করা মায়ানমার সেনাবাহিনীর প্রাক্তন দুই সদস্য মায়ো উইন তুন (৩৩) এবং জ নাইং তুন (৩০) চলতি বছরের শুরুর দিকে রাখাইনের সশস্ত্র সংগঠন আরাকান আর্মির (এএ) কাছে রোহিঙ্গা গণহত্যার স্বীকারোক্তি দেন।


ওই প্রাক্তন দুই সেনাসদস্যের এই স্বীকারোক্তির ঘটনা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে চাপে ফেলেছে মায়ানমার সরকারকে। বিশেষ করে দেশটির স্টেট কাউন্সিলর অং সান সু চির অবস্থানকে আরো প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। কারণ, রাষ্ট্রসংঘের শীর্ষ আদালত আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) গাম্বিয়ার করা মামলায় তিনি সশরীর হাজির হয়ে নিজের দেশের পক্ষে বক্তব্য দিয়েছেন, রোহিঙ্গা গণহত্যার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। এ কারণে রোহিঙ্গা গণহত্যার প্রথম এই স্বীকারোক্তিকে আমলে নিয়ে মায়ানমারের বিচার করার আহ্বান জানিয়েছেন অনেকে।


এ পরিস্থিতিতে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জ মিন তুন বিবিসি বার্মিজকে বুধবার বলেন, মায়ো উইন তুন এবং জ নাইং তুন সেনাবাহিনীর প্রাক্তন সদস্য। আরাকান আর্মি তাদের বন্দী করার পর নির্যাতন করে স্বীকারোক্তি আদায় করেছে।


তবে মায়ানমার সেনাবাহিনীর দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে আরাকান আর্মি। সশস্ত্র সংগঠনটির মুখপাত্র খাইন থু খা বৃহস্পতিবার বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেন, ওই দুই সেনাসদস্য স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তি দিয়েছেন যে মিয়ানমার সেনাবাহিনী যুদ্ধাপরাধ করেছে।


একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ভিন্ন স্বাদের খবর

...
আপনার ক্যাটাগরি নির্বাচন করুন

Whatsapp Button works on Mobile Device only