শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২০

রোহিঙ্গা নির্যাতন চলেছে, আংশিক স্বীকারোক্তি দিয়ে তদন্তের নির্দেশ মায়ানমারের



রাখাইন, ১৮ সেপ্টেম্বরঃ সত্যকে ধামাচাপা দেওয়া যায় না। এক না একদিন অন্ধকারের পর্দা ভেদ করে আলোর মতো উজ্জ্বল হকিকত উঁকি মেরে ওঠে। জলের মতো স্বচ্ছ হয়ে ওঠে সবকিছু। রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে নৃশংস গণহত্যা চালানোর পর মায়ানমারের সরকারও সবকিছুকে বিশ্বের নজর থেকে আড়াল করে রেখেছিল। এখনও সেই চেষ্টা চলছে। 


তবে বৈশ্বিক চাপের ম‍ুখে পড়ে কিছউটা নরম হয়েছে বার্মিজ সেনাবাহিনী। মায়ানমারে ২০১৬ ও ২০১৭ সালে রোহিঙ্গাদের ওপর মারাত্মক নিপীড়ন চালানো হয়ে থাকতে পারে বলে স্বীকার করেছে দেশটির সেনাবাহিনী। সম্প্রতি মায়ানমারের পক্ষ ত্যাগ করা দুই সেনার রোহিঙ্গা নিপীড়নের বিষয়ে বিবৃতি দেওয়া এবং নেদারল্যান্ডসের দ্য হেগের অপরাধ আদালতে সেই কথা পৌঁছনোর পর মায়ানমারের সেনাবাহিনী এক বিবৃতিতে আংশিক স্বীকারোক্তি দিয়েছে। 


একইসঙ্গে মায়ানমারের সরকার অভ্যন্তরীণ তদন্তদল দ্বারা সেই নিপীড়নের ঘটনাগুলো তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে। এজন্য তদন্তকারীদের কার্যপরিধিও বাড়ানো হয়েছে বলে খবর। বলা হয়েছে, মায়ানমার বাহিনী ২০১৭ সালে এবং তারও আগে রাূাইনে রোহিঙ্গাবিরোধী অভিযানে সম্ভাব্য বড় পরিসনে নিপীড়ন চালানোর বিষয়টি তদন্ত করছে। এরই মধ্যে রাষ্ট্রসংঘ জানিয়েছে, ওই অভিযানে রোহিঙ্গা মুসলিমদের বিরুদ্ধে গণহত্যা চালানোর প্রমাণ মিলেছে। এর আগে বার্মিজ সেনাবাহিনী অবশ্য জেনোসাইড বা গণহত্যা চালানোর আন্তর্জাতিক অভিযোগ নাকচ করেছে বহুবার। বেশকয়েকবার মায়ানমার সরকার তাদের সামরিক জেনারেলদের অভিযুক্তের তালিকায় নাম তুললেও তাদের বিচারের আওতায় নিয়ে আসেনি।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ভিন্ন স্বাদের খবর

...
আপনার ক্যাটাগরি নির্বাচন করুন

Whatsapp Button works on Mobile Device only