রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২০

সামশেরগঞ্জের ধানঘরা এলাকার গঙ্গা ভাঙ্গনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারদের পুনর্বাসনের জন্য লড়ে চলেছেন জঙ্গিপুরের সাংসদ খলিলুর রহমান , এলাকার যুবকদের সেচ্ছাসেবী মনোভাবও যথেষ্ট প্রশংসনীয়

 


মিজানুল কবির, সামশেরগঞ্জ : মুর্শিদাবাদের সামশেরগঞ্জের ধানঘরা এলাকার গঙ্গা ভাঙ্গনে ক্ষতিগ্রস্ত অসংখ্য পরিবার । কারোর জমি গেছে কারোর বাড়ি গেছে গঙ্গাবক্ষে । হতাশ হয়ে কেউ আশ্রয় নিয়েছেন আশপাশে কোন জায়গায় , আবারও কেউ নিমতিতা জিডি দ্বারকানাথ বিদ্যায়তন স্কুলের ক্যাম্পে । এলাকার বিভিন্ন সমাজসেবী কিংবা বাইরে থেকে অনেকেই উক্ত পরিবারের কাছে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন । 



 আবারও কখনও দেখা গেছে উক্ত নিমতিতা অঞ্চলের " আমার গ্রাম আমার পরিচয় " নামক অরাজনৈতিক সেচ্ছাসেবী দলের অনিকেত,সৌভিক, অয়নেশ , রাহুল , শুভ্রদিপ এবং তার  বন্ধুরা ফেসবুক মাধ্যমে প্রচার চালিয়ে অর্থ সংগ্রহ করে চাল , ডাল , আলু , শাক সবজি নিয়ে স্থানীয় ক্যাম্পে সেসমস্ত পরিবারের মুখে দুবেলা অন্ন জোগাড় করতে ব্যস্ত তারা ।  আবার কখনও দেখা যাচ্ছে আশেপাশের গ্রাম থেকে শুকনো খাবার নিয়ে ছুটে আসতে সাবির ,টিংকু কিংবা মাসিরুল ,জাহিদদের। 


পুবের কলমের পক্ষ থেকে স্থানীয় প্রশাসনের কাছে  ফোনে যোগাযোগ করতে চাইলেও ফোন কখনও ক্রমাগত বেজে যেতে থাকে কিংবা কখনও স্থানীয় বিডিও মহাশয়ের ফোন  পরিষেবা সীমার বাইরে থাকায় যোগাযোগ করা সম্ভব হয়ে ওঠেনি।



অবশেষে জঙ্গিপুরের সাংসদ খলিলুর রহমান স্থানীয় প্রশাসন থেকে জেলা শাসক সবার কাছে উক্ত সামশেরগঞ্জের ধানঘরা এলাকার গঙ্গা ভাঙ্গনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারদের পুনর্বাসনের দাবিদফা নিয়ে  যান।খলিলুর রহমান জানান " মাননীয় শুভেন্দু অধিকারীর নির্দেশে আজ জেলাশাসক মহাশয়ের কাছে আমরা গেছিলাম " । তিনি আরও জানান " গঙ্গা ভাঙ্গনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারদের জন্য BDO ও DM সাহেবের সাথে পরামর্শ করে যে সমস্ত পরিবার ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন তাদের জন্য জায়গা ও বাড়ি করে দেওয়ার জন্য দাবি পেস করা হয়েছে " । 


সামশেরগঞ্জের ধানঘরা এলাকার  ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারদের জায়গা ও বাড়ি করে দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় ও পরিবহন মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী মহাশয় বলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সাইট ফেসবুক পেজে জানান খলিলুর রহমান মহাশয় ।

আবার আবিদ হোসেন নামক এলাকার এক কলেজ পড়ুয়া জানান " দেখুন যা ক্ষয়খতি হবার হয়ে গেছে হ্যাঁ অনেকদিন সময় লাগবে বিড়ি শ্রমিক অধ্যুষিত এলাকার উক্ত খেটে খাওয়া মানুষদের  এই পরিস্থিতি সামাল দিতে কিন্তু সরকারের তরফে যদি একটা পার্মানেন্ট সলিউশন নেওয়া হয় যাতে করে বন্যা কিংবা ভাঙনে এই সমস্ত এলাকার এরকম হাল না হয় " ।  তার পাশাপশি ওই যুবক জানান যাতে করে  ক্ষতিগ্রস্ত সমস্ত পরিবারের তালিকা সরকারি ভাবে তৈরি করে ল্যান্ড লুজার সার্টিফিকেট বানিয়ে দেওয়া সহ তাদের হারিয়ে যাওয়া ডকুমেন্টস ঠিক করতে কিংবা ওই পরিবার গুলোকে স্পেশ্যাল ক্যাম্প করে ১০০ দিনের কাজ , আবাস যোজনা , স্বাস্থ্য সাথী কার্ড , ইত্যাদি বিষয় নিয়ে যাতে খুব দ্রুত পদক্ষেপ প্রশাসন তরফে নেওয়া হয় । 

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ভিন্ন স্বাদের খবর

...
আপনার ক্যাটাগরি নির্বাচন করুন

Whatsapp Button works on Mobile Device only