মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২০

মোদিজি চীনের কাছ থেকে কবে আমাদের ভূমি ফেরত নেবেন? প্রশ্ন রাহুল গান্ধীর


পুবের কলম, ওয়েব ডেস্ক :
কংগ্রেসের সাবেক সভাপতি রাহুল গান্ধী চীনের সঙ্গে সীমান্ত বিবাদ ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে টার্গেট করে  বলেছেন, আমাদের দেশ বরাবরই ভারতীয় সেনাবাহিনীর সাথে রয়েছে এবং থাকবে।  কিন্তু  মোদিজি আপনি কবে চীনের বিরুদ্ধে দাঁড়াবেন? চীন থেকে কবে আমাদের দেশের জমি ফিরিয়ে নেয়া হবে? চীনের নাম বলতে ভয় পাবেন না। প্রতিরক্ষামন্ত্রীর বক্তব্য থেকে এটা স্পষ্ট যে মোদিজি চীনের দখলের বিষয়ে দেশকে বিভ্রান্ত করেছেন। 


লাদাখে ভারত ও চীনা সেনাদের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের পরে সর্বদলীয় বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি চীনের নাম না করে বলেছিলেন, ‘ওখানে আমাদের সীমান্ত পেরিয়ে কেউ ঢুকে আসেনি। ওখানে আমাদের এলাকায় কেউ ঢুকেও বসে নেই। আমাদের কোনও সেনা চৌকিও অন্য কারও দখলে নেই।’


প্রধানমন্ত্রীর এমন মন্তব্যের পর থেকে রাজনৈতিক মহলে বিতর্ক সৃষ্টি হয়। বিরোধীদের প্রশ্ন-চীনের সেনা ভারতের এলাকায় না ঢুকলে কীভাবে ২০ জন জওয়ানের মৃত্যু হল? কীভাবে ৭৬ জন আহত হলেন?’


এদিকে, আজ কংগ্রেসের মুখপাত্র রণদীপ সিং সূর্যেওয়ালা কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের উদ্দেশ্যে বলেছেন, ‘মাননীয় রাজনাথজী, দেশবাসী সামরিক বাহিনীর সাথে ঐক্যবদ্ধ আছে। কিন্তু বলুন, চীন কীভাবে আমাদের জমি দখল করার দুঃসাহস করেছিল? মোদিজি কেন চীনকে আমাদের অঞ্চলে অনুপ্রবেশ না করার বিষয়ে  বিভ্রান্ত করলেন? আমাদের ভূমি থেকে চীনকে কবে বিতাড়িত করা হবে? চীনকে কবে লাল চোখ দেখানো হবে?’


ভারত ও চীনের মধ্যে চলমান সীমান্ত সংঘাত ইস্যুতে আজ (মঙ্গলবার) সংসদে প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং বিবৃতি দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘আমাদের জওয়ানরা বেজিংকে উপযুক্ত জবাব দিয়েছে। গালওয়ানে সংঘর্ষে ভারতের ২০ জওয়ানের মৃত্যু হয়েছে। কিন্তু চীনের পক্ষে তার চেয়ে অনেক বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। যেখানে সংযম দেখানোর দরকার, জওয়ানরা সেখানে সংযম ও ধৈর্য দেখিয়েছে। এই শৃঙ্খলা ও শৌর্যের জন্য শুধু সংসদ নয়, সারা দেশবাসীর ভারতীয় সেনার পাশে দাঁড়ানো উচিত।’


রাজনাথ সিং বলেন, ‘ইতিহাসের উপরে ভিত্তি করে দ্বিপক্ষীয় চুক্তির মাধ্যমে যে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা (এলএসি) নির্ধারিত হয়েছে, চীন সেটা মানতে চায় না। সেজন্যই লাদাখে আমরা অগ্নিপরীক্ষার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছি।’ 


তিনি বলেন, ‘এলএসি’কে সম্মান করা এবং কঠোরভাবে মেনে চলা, সীমান্ত অঞ্চলে শান্তি ও সম্প্রীতির ভিত্তি এবং ১৯৯৩ ও ১৯৯৬ সালের চুক্তিতে তা স্পষ্টভাবে গৃহীত হয়েছিল।  আমাদের সশস্ত্র বাহিনী এটি পুরোপুরি অনুসরণ করলেও চীনা পক্ষ থেকে এমনটি হয়নি।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ভিন্ন স্বাদের খবর

...
আপনার ক্যাটাগরি নির্বাচন করুন

Whatsapp Button works on Mobile Device only