শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২০

জোট আলোচনায় অধীরের গড়া কমিটি নিয়েও প্রশ্ন দলের অন্দরে




পুবের কলম প্রতিবেদকঃ অধীর চৌধুরীর প্রদেশ সভাপতির দায়িত্ব নিতেই কংগ্রেসের অন্দরের বিরোধ প্রকাশ্যে। দায়িত্ব নেওয়ার পর ২৪ ঘণ্টাও গেল না  তাঁর বিরুদ্ধে স্বজন পোষণের অভিযোগ তুললেন তাঁরই সহকর্মীরা। দায়িত্ব নেওয়ার পরই  বামেদের সঙ্গে জোট নিয়ে আলোচনা চালিয়ে যেতে একটি কমিটি গড়েন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি। আর সেই কমিটিতে অধীর ঘনিষ্ঠ ঋজু ঘোষালের থাকা নিয়েই যত বিরোধ। দলের কিছু প্রবীণ নেতা অসন্তুষ্ট। কারণ প্রবীণদের উপেক্ষা করেই অপেক্ষাকৃত নবীন প্রজন্মের নেতা ঋজু ঘোষালকে এই জায়গা দেওয়া হয়েছে। তাঁরা এমনও অভিযোগ করেছেন অধীর চৌধুরীর স্ত্রী অতসীদেবীর কারণেই নাকি তাঁকে এই কমিটি জায়গা দেওয়া হয়েছে। 

কংগ্রেস নেতার পাশাপাশি ঋজু ঘোষালের পরিচয় তিনি দেবী ঘোষালের ভ্রাতুষ্পুত্র ও অধীর চৌধুরীর স্ত্রী অতসী দেবীর আত্মীয়।  কংগ্রেসে অমিতাভ চক্রবর্তী ও শুভঙ্কর সরকারের মত পরবর্তী প্রজন্মের অভিজ্ঞ নেতাদের বাদ দিয়ে কেন ঋজু ঘোষাল, এই প্রশ্ন উঠেছে বিধান ভবনে। বিশেষ করে বামেদের সঙ্গে বোঝাপড়ার তুলনায় অনভিজ্ঞ নেতাকে এই কমিটিতে জায়গা দেওয়া ভাল চোখে দেখেন নি প্রদেশ কংগ্রেসের অনেকেই।

প্রদীপ ভট্টাচার্য্য, অধীর চৌধুরী ও আবদুল মান্নানের পরবর্তী প্রজন্মের নেতা হিসেবে এই দুই নেতার পরিচিতি কংগ্রেসের অন্দরমহল থেকে শুরু করে রাজ্য রাজনীতিতে যথেষ্ট। ছাত্র পরিষদ থেকে শুরু করে যুব কংগ্রেস হয়ে প্রদেশ কংগ্রেস রাজনীতিতে একের পর এক ধাপ অতিক্রম করে উঠে এসেছেন এই দুই নেতা। কংগ্রেসে প্রিয় শিবিরের লোক হওয়া সত্ত্বেও সোমেন মিত্র সভাপতি থাকাকালীন অমিতাভ চক্রবর্তী হয়ে উঠেছিলেন তাঁর অন্যতম আস্থাভাজন। সভাপতি হিসেবে পুনরায় দায়িত্ব নিয়েই অধীর চৌধুরী  নিজের মতো করে ঘুঁটি সাজানোর শুরু করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে কমিটি ঘোষণার পরেই। তাই বিধান ভবনে আলোচনা শুরু হয়েছে। অভিযোগ স্বজনপোষনের দাবার সেই চালেই  নাকি বাদ পড়েছেন অমিতাভ-শুভঙ্কর। এই নিয়ে যদিও প্রকাশ্যে মুখ খোলেন নি এই দুই নেতাই। শুধু অমিতাভ চক্রবর্তীর ছোট্ট প্রতিক্রিয়া, "সভাপতি যাকে যোগ্য মনে করেছেন তাঁকেই কমিটিতে স্থান দিয়েছেন। আমি হয়ত ততটা যোগ্য নই।"

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ভিন্ন স্বাদের খবর

...
আপনার ক্যাটাগরি নির্বাচন করুন

Whatsapp Button works on Mobile Device only