শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২০

দুষ্কৃতী তাণ্ডব উত্তাল বীরভূমের খয়রাশোল এর বাবুইজোর। পঞ্চায়েত অফিস মোটরবাইক ভাঙচুর গাড়িতে আগুন চলল বোমা-গুলি লড়াই



কৌশিক সালুই বীরভূম 4 সেপ্টেম্বর: দুষ্কৃতী  তাণ্ডবে অগ্নিগর্ভ হল এলাকা। পঞ্চায়েত অফিসে ভাঙচুর,  গাড়িতে আগুন, বাইক ভাঙচুর, জনতার ওপর যথেচ্ছ গুলি-বোমা। ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার বীরভূমের  খয়রাশোল ব্লকের বাবুইজোর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায়। অভিযোগ উন্মুক্ত জনতার হাতে গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসে ভাঙচুর। পাল্টা অভিযোগ  এলাকার উন্নয়নের দাবি জানাতে গিয়ে জনতার উপর বোমা গুলি ছোড়ে দুষ্কৃতীরা। ঘটনায় এক গ্রামবাসী গুরুতর জখম। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এলাকায় বিশাল পুলিশবাহিনী। ঘটনার তদন্তে পুলিশ। তৃণমূল কংগ্রেসের দাবি বিজেপির মদতে তান্ডব দুষ্কৃতীদের। অন্যদিকে বিজেপি সেই অভিযোগ নস্যাৎ করে দিয়ে বলেন এলাকার অনুন্নয়ন এবং তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দল এর ফলেই এই সংঘর্ষ। পুলিশ জানিয়েছে দুষ্কৃতীদের খোঁজে তল্লাশি করা হচ্ছে।


    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে  খয়রাশোল ব্লকের বাবুইজোর গ্রাম পঞ্চায়েতে ভাঙচুর পাল্টা গুলি ও বোমা বাজি বলে অভিযোগ। একটি সূত্রে দাবি হরিওকতারা গ্রামের উন্নয়নের ব্যাপারে একেবারেই উদাসীন ছিলেন প্রধান। রাস্তাঘাট পানীয় জল সরকারি আবাসন প্রকল্পের বাড়ি সবকিছুতেই ওই এলাকার বাসিন্দারা বঞ্চিত হন বলে অভিযোগ। সেই দাবি জানাতে গিয়ে পঞ্চায়েত অফিসে ব্যাপক তাণ্ডব করার অভিযোগ। অফিসের কাগজপত্র নষ্ট করে দেওয়া হয়। ভাঙচুর করা হয় বেশ কিছু বাইক। একটি চার চাকার গাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয় বলে আরও অভিযোগ। অন্যদিকে স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি নিরীহ জনতার ওপর দুষ্কৃতীরা বোমা-গুলি নিয়ে তান্ডব চালিয়েছে। সেই ঘটনায় একজন গুরুতর জখম হয়েছেন। এলাকার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ঘটনাস্থলে বিশাল পুলিশবাহিনী। দুষ্কৃতীদের খোঁজে এলাকায় তল্লাশি করা হচ্ছে। বীরভূম জেলা পুলিশ সুপার শ্যাম সিং বলেন," এলাকায় বিশাল পুলিশবাহিনী গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। দুষ্কৃতীদের অবিলম্বে গ্রেফতার করা হবে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে"। তৃণমূল কংগ্রেস তথা জেলা পরিষদের সদস্য বিকাশ রায় চৌধুরী বলেন," বিরোধী রাজনৈতিক দলের মধ্যে কিছু দুষ্কৃতী পঞ্চায়েত অফিসে গিয়ে তাণ্ডব চালিয়েছে। বিরোধী দল বিজেপির মদতেই এই সমস্ত ঘটনা ঘটেছে বলে আমাদের অনুমান।  পুলিশ ঘটনার তদন্ত করে প্রকৃত দুষ্কৃতীদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার করুক"। বিজেপির জেলা সভাপতি সভাপতি শ্যামাপদ মন্ডল বলেন," এলাকার অনুন্নয়ন এবং টাকা-পয়সার ভাগ-বাটোয়ারার গন্ডগোল নিয়ে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠী সংঘর্ষে জড়িয়েছে। তৃণমূলের শেষের শুরু হয়ে গিয়েছে অনেক দিন থেকেই তার প্রমাণ এই সমস্ত ঘটনা। বিজেপি কোন ভাবেই এই নোংরা ঘটনার সঙ্গে যুক্ত নয়। নিজেদের পিঠ বাঁচাতে বিজেপির নামকরা হচ্ছে এখানে"।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ভিন্ন স্বাদের খবর

...
আপনার ক্যাটাগরি নির্বাচন করুন

Whatsapp Button works on Mobile Device only