সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২০

লকডাউনে বালির গাড়ি চলাচল করায় স্থানীয় মানুষের বিক্ষোভ!



দেবশ্রী মজুমদার, রামপুরহাট, ০৭ সেপ্টেম্বর: পূর্ণ লকডাউনের দিন দশচাকা বালির গাড়ি আঁটকে বিক্ষোভ দেখালো এলাকার মানুষ ও ব্যবসায়ী। আজ ছিল ঘোষিত লকডাউন। সেই মোতাবেক দোকানপাট গাড়ি চলাচল বন্ধ। শুধু মাত্র জরুরি পরিষেবা ছাড়া সব বন্ধ থাকার কথা। কিন্তু রামপুরহাট থানার অন্তর্গত নারায়ণপুর বাস স্ট্যান্ড সংলগ্ন বালির ঘাট থেকে একটি দশ চাকার লোডেড গাড়ি নারায়নপুর বাজার দিয়ে যাচ্ছিল। তার আগেই সকাল থেকেই স্থানীয় ভিলেজ পুলিশ মামুন সেখ ব্যবসায়ীদের দোকান বন্ধ রাখতে বলে। কিন্তু লক ডাউনের সময় বালির গাড়ি কেন ছাড় পাবে, এই অভিযোগ তুলে এলাকার লোকজন বালির গাড়ি আঁটকে দেয়। ঘটনাস্থলে পুলিশ হাজির হলে, পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। তাদের অভিযোগ, সাধারণ মানুষ লকডাউন চায়, কিন্তু বালির গাড়ি কেন ছাড় পাবে? সেখানে তোলা আদায় হয় বলে? ঘটনাস্থলে দীর্ঘক্ষণ যানজট হয়। 

জানা গেছে, নাসির মোল্লা বলে একজনের বালির ঘাটের ডাক আছে। তিনি বহিরাগত হওয়ায় শিবু ঘোষ ও তপন ঘোষ নামে স্থানীয় যুবকেরা বালির গাড়ি পিছু টাকা আদায় করে। এসব কারণে স্থানীয় মানুষের ক্ষোভ ছিল। এদিনের ঘটনায় তাতে ইন্ধন যোগায়। 

নারায়ণপুর তৃণমূল অঞ্চল সভাপতি মিলন সেখ এব্যাপারে বলেন, এই বালির ঘাটের সাথে তৃণমূল দলের কোনো যোগ নেই। মাড় গ্রামের নাসির মোল্লা এই ঘাটে ডাক আছে। তিনি বহিরাগত হওয়ায় স্থানীয় শিবু ঘোষ ও তপন ঘোষরা গাড়ি পিছু আদায় করে বলে শুনেছি। তবে, শিবু ও তপনরা তৃণমূল দল করে। এখন তো সবাই তৃণমূল করে।

অন্যদিকে, নলহাটি থানার কাঁটা গড়িয়া মোড়ে জাতীয় সড়ক থেকে একটি বালি ভর্তি চোদ্দ চাকা লরি বাঁক নিয়ে রাজ্যসড়কের বাঁধ খোলা দিকে যাচ্ছিল। সেখানে লোহাপুর থানার কনস্টেবল প্রেমচাঁদ মাল তাকে দাঁড়াতে বলে। সেই সময় দাঁড়িয়ে গাড়ি পিছনোর সময় সামনের চাকা ফেটে যায়। ঘটনার জেরে আহত হন ওই কনস্টেবল। তাঁকে স্থানীয় স্বাস্থ্য কেন্দ্রে চিকিৎসা করানো হয়।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ভিন্ন স্বাদের খবর

...
আপনার ক্যাটাগরি নির্বাচন করুন

Whatsapp Button works on Mobile Device only