শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২০

নিরীহদের ফাঁসানো হচ্ছে : উসমানি



পুবের কলম ওয়েব ডেস্ক: আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃতীয় বর্ষের  রাষ্ট্রবিজ্ঞানের ছাত্র ছিলেন তিনি। গত বছর ১৫ ডিসেম্বর সিএএ বিরোধী আন্দোলনে উত্তাল হয়ে উঠেছিল বিশ্ববিদ্যালয় চত্বর। সেই আন্দোলনের নেতৃত্বে যাঁরা ছিলেন তাঁদের অন্যতম তিনি। সেই কারণেই চলতি বছরের জুলাই মাসে তাঁকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তাঁর বিরুদ্ধে ‘গুন্ডা অ্যাক্ট’ প্রয়োগ করা হয়। তিনি শারজিল উসমানি। সম্প্রতি আদালতের নির্দেশে আলিগড় জেলা সংশোধনাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন তাঁর এই জেল থেকে ছাড়া পাওয়া কোনও আইনি জয় নয়। কারণ বহু নিরীহ নির্দোষ মানুষকে ফাঁসানো হচ্ছে। তাঁদের ক্ষতিপূরণ দিতে হবে সরকারকে। তাঁদের প্রতি এই অন্যায় অবিচার করার জন্য তাঁদের কাছে ক্ষমা চাইতে হবে সরকারকে। একইসঙ্গে তিনি দাবি করেছেন যেসব পুলিশ অফিসার তাঁকে ‘বেআইনি’ভাবে গ্রেফতার করার কাজে জড়িত তাদের বিরুদ্ধে কড়া আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে। শারজিলের কথায় ‘অনেক বছর ধরে বহু নিরীহ মানুষ জেলে বন্দি রয়েছেন। উদাহরণ হিসেবে জামিয়া মিল্লিয়া ইসলামিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের  সাফুরা জারগারের কথাই ধরুন। রাজ্য সরকার তাঁর বিরুদ্ধে দানবিক ‘বেআইনি কার্যকলাপ প্রতিরোধ আইন’ (ইউএপিএ) প্রয়োগ করেছে। যাতে তাঁকে বহুমাস ধরে জেলে আটকে রাখা যায়। আমি সৌভাগ্যবান যে নিম্ন আদালত আমার জামিনের আবেদন মঞ্জুর করেছে। ওরা (পুলিশ) আমার বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগই প্রমাণ করতে পারেনি।’ মুসলিমদের সঙ্গে জেলে কী ধরনের আচরণ করা হয় সেই প্রসঙ্গে শারজিল বলেন ‘পুলিশ হেফাজতে মুসলিমদের সঙ্গে যে ধরনের ব্যবহার করা হয়– আমার সঙ্গেও সেই একই রকমের ব্যবহার করা হয়েছিল। আমাকে যে ব্যারাকে রাখা হয়েছিল সেখানে ৪২ জনের থাকার কথা। কিন্তু রাখা হয়েছিল ১৪৫ জনকে। সেখানে আমাকে মুম্বই জঙ্গি হামলার চক্রি আজমল কাসবের সঙ্গেও তুলনা টানা হয়েছিল। ভারতের প্রত্যেক মুসলিম রাষ্টেÉর চোখে জঙ্গি। আমাদেরকে দেশের নিরাপত্তার পক্ষে বিপজ্জনক বলে ভাবা হয়।’

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ভিন্ন স্বাদের খবর

...
আপনার ক্যাটাগরি নির্বাচন করুন

Whatsapp Button works on Mobile Device only