সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২০

মতবিরোধের জেরে আলাদা মিছিল বিজেপির



দেবশ্রী মজুমদার, রামপুরহাট: বিজেপির জেলা সভাপতির বিরুদ্ধে গিয়ে আলাদা মিছিল করে শক্তি প্রদর্শন বিজেপির  কিষান মোর্চার প্রাক্তন জেলা সভাপতি সোমনাথ ঘোষের। তাঁর দাবি, পুরানো বিজেপি কর্মীদের বাদ দিয়ে দলে টেস্ট টিউব বেবিদের জায়গা দেওয়া হয়েছে। যাকে  অনৈতিক কাজ বলে মনে করেন তিনি। শুধু তাই নয়,  দলীয় জেলা সভাপতির বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করে সমান্তরাল বিজেপির আরেকটি দল চলছে রামপুরহাট মহকুমায়, এমনটাই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। 


সোমনাথ ঘোষ ও মুকুল মুখোপাধ্যায়ের মতো কিছু বিজেপি নেতার নেতৃত্বে সোমবার রামপুরহাট চ্যাম্পিং গ্রাউন্ডে একটি মিছিল বের হয়। এই দুজন দলে কোন পদাধিকারী না হলেও জেলা কমিটির সদস্য ছিলেন। কিন্তু এই দুজনের মধ্যে সোমনাথ ঘোষের বিরুদ্ধে বিজেপির শহর সভাপতি নীলকন্ঠ বিশ্বাসকে পিস্তল দেখিয়ে হুমকি দিয়ে বাড়ি ফেরার পথে পুলিশের হাতে গ্রেফতার হন তিনি।


যার জেরে বেশ কিছু দিন জেল খাটতে হয় তাকে। তারপর দল থেকে তাকে বহিস্কার করা হয়। এদিন কৃষি বিলের সমর্থনে মিছিলের পাশাপাশি দলের জেলা সভাপতির বিরুদ্ধে এই বিক্ষুব্ধ গোষ্ঠী তাদের ক্ষোভ উগড়ে দেন গণমাধ্যমের সামনে। সোমনাথ ঘোষ বলেন, যাঁরা বিজেপির সত্যিকারের অভিভাবক তাদেরকে অনৈতিক ভাবে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং অসম্মান করা হয়েছে। বিজেপি সুরক্ষিত নয় বীরভূমে। 


এব্যাপারে বিজেপির জেলা সভাপতি শ্যামাপদ মণ্ডল বলেন, কাউকে অনৈতিক ভাবে দল থেকে সরানো হয় নি। আবহমান কাল ধরে কেউ এক পদে থাকতে পারে না। আগে কিষান মোর্চার জেলা সভাপতি ছিলেন সোমনাথ ঘোষ।


বর্তমানে কিষান মোর্চার জেলা সভাপতি দীনবন্ধু মণ্ডল। সোমনাথবাবু পিস্তল নিয়ে দলীয় কার্যালয়ে বিজেপির একজন কার্যকর্তাকে খুন করতে যান। পুলিশ তাকে অস্ত্র সহ ধরে। তারপর তাকে দল থেকে সরানো হয়। জেলা কমিটির সদস্য তো জেলার মিটিংয়ে অনুপস্থিত থাকেন। দলের বাইরে এসব করে কোন লাভ অতীতেও হয় নি। এখনও হবে না। গোটা বিষয়টি আমি রাজ্যে জানাব।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ভিন্ন স্বাদের খবর

...
আপনার ক্যাটাগরি নির্বাচন করুন

Whatsapp Button works on Mobile Device only