শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২০

বেহাল রাস্তা, পথশ্রীতেই কি হাল ফিরবে!

 


পুবের কলম প্রতিবেদকঃ নোংরা জল, কাদা, গর্ত এবং আবর্জনা নিয়েই কয়েক হাজার মানুষ বসবাস করছেন আনন্দপুর থানার উত্তর পঞ্চান্নগ্রাম এলাকায়। রাজ্যের ম‍ুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ‘পথশ্রী’ প্রকল্পে কয়েক হাজার কিলোমিটার রাস্তা মেরামত সহ নানা প্রকল্পের উদ্বোধন করেছেন। কিন্তু উত্তর পঞ্চান্ন গ্রাম এলাকার রাস্তা কি আদৌ সংস্কার হবে। 


এই প্রশ্ন দেখা দিয়েছে কয়েক হাজার মানুষের ম‍ুখে। তপসিয়ার তৃণমূল ভবনের পেছন দিকে এই উত্তর পঞ্চান্ন গ্রাম। সারিসারি ফ্ল্যাট দাঁড়িয়ে রয়েছে, রয়েছে বিদ্যুতের আলোও। কিন্তু রাস্তা পাকা না হওয়ায় নোংরা পানি এবং গর্তে ভরপুর রাস্তাঘাট উপেক্ষা করেই কয়েক হাজার মানুষ নিত্য যাতায়াত করছেন। তৃণমূল ভবনের পেছনে রাস্তা মার্টিন পাড়া পল্লিমঙ্গল ক্লাব থেকে শুরু করে গুলশন কলোনি অটো স্ট্যান্ড পর্যন্ত এই রাস্তার হাল একেবারে বেহাল। 


আবার খালের ধার দিয়ে গরু মোড় থেকে গুলশন কলোনি অটোস্ট্যান্ড পর্যন্ত বেহাল দশা। মাঝে স্থানীয় বিধায়ক জাভেদ আহমেদ খানের উদ্যোগে কিছুটা কাজ হলেও আবারও পুরনো জায়গায় ফিরে এসেছে। ফলে নিত্যযন্ত্রণা নিয়ে চলাফেরা করতে বাধ্য হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। ঝাড়খণ্ডের বাসিন্দা আরসাদ হোসেন কাজ করেন পার্ক স্ট্রিটের একটি হোটেলে। থানা গুলশন কলোনিতে। তিনি অভিযোগ করে বলেন, প্রোমোটাররা রাস্তা হয়ে যাবে বলে ফ্ল্যাট বিক্রি করে দিচ্ছেন।


কিন্তু ৩ বছর হয়ে গেলেও রাস্তার এক ইঞ্জিও উন্নতি হয়নি। এলাকায় বহু প্রোমোটার রয়েছেন। তাঁরা নিজেরা কোনও উদ্যোগ নিচ্ছেন না। তিনি বলেন, বর্ষাকালে প্রোমোটারদের খ‍ুঁজে পাওয়া যায় না। একই অভিযোগ করেন গুলশন এলাকার বাসিন্দা, আসিফ খান, সাহাদাত হোসেন বলেন, এলাকা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করতে কোনও প্রোমোটার উদ্যোগ নেয়না। ম‍ুখ্যমন্ত্রী ‘পথশ্রী’ প্রকল্পের যে সূচনা করেছেন, তার দ্বারা কি এই এলাকার উন্নয়ন হবে? সেই অপেক্ষায় এলাকাবাসী।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ভিন্ন স্বাদের খবর

...
আপনার ক্যাটাগরি নির্বাচন করুন

Whatsapp Button works on Mobile Device only