রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২০

ফ্যাসাইয়ের নির্দেশে বিপাকে মিষ্টি ব্যবসায়ীরা



ফুড সেফটি অ্যান্ড স্ট্যান্ডার্ড অথরিটি অফ ইন্ডিয়া বা ফ্যাসাই পয়লা অক্টোবর থেকেই মিষ্টিতে মেয়াদ লেখার নির্দেশিকা কার্যকর করতে বলেছে। এই নির্দেশিকা পালন নিয়েই ফাঁপরে পড়েছে রাজ্যের ছোট–‌বড় মিষ্টি বিক্রেতারা। বিশেষত, প্যাকেটজাত মিষ্টির প্যাকেটে মেয়াদ লেখা যেতে পারে। যে সমস্ত মিষ্টি প্যাকেটজাত নয়, সেগুলির ক্ষেত্রে পাত্রের গায়ে মেয়াদ উল্লেখ করার নির্দেশ বিভ্রান্তিকর।


বিক্রেতাদের মতে, রসগোল্লা, রসমালাই, ছানার কেক, ভাপা সন্দেশের মতো মিষ্টির মূল উপাদানই হল দুধ আর ছানা। এইসব মিষ্টি খুব বেশিদিন স্থায়ী হয় না। গরমকাল বা বর্ষাকালে এর স্থায়িত্ব আরও কমে যায়। ফলে নির্দেশিকা মেনে মিষ্টি বিক্রি করা মুশকিল বলে মনে করছেন মিষ্টান্ন ব্যবসায়ীরা। কারণ এইসব মিষ্টির ঠিকঠাক মেয়াদ মোটামুটি ২৪ ঘণ্টা। মেয়াদ উল্লেখ থাকলে ক্রেতাদেরও বিভ্রান্তি বাড়বে। বাইরে রপ্তানি করাও ঝুঁকির হয়ে যাবে। বহু ব্যবসায়ীর কথায়, উত্তর ভারতে মিষ্টান্ন তৈরিতে মূলত বেসন, খোয়া, ক্ষীর, সুজি ব্যবহৃত হয়। এগুলিতে তৈরি মিষ্টি ছানার তুলনায় অনেক বেশি সময় ভাল থাকে।


কলকাতার বহু প্রথম সারির দোকান এই নিয়ে মুখে কুলুপ এঁটেছে। তবে ছোট বিক্রেতারা বলেছেন, এভাবে ব্যবাসার অবস্থা আরও খারাপ হবে। পশ্চিমবঙ্গ মিষ্টান্ন ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক রবীন্দ্রকুমার পালের বক্তব্য, করোনার কারণে এমনিতেই রাজ্যে মিষ্টি ব্যবসায়ীদের ব্যবসা লাটে উঠতে বসেছে। ফ্যাসাইয়ের এই নির্দেশ সরাসরি ছোট দোকানদারদের ওপর পড়বে। এই নিয়ম না মানলে, সাধারণ মানুষ ছোট দোকান থেকে মিষ্টি কিনতে চাইবে না। 


একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ভিন্ন স্বাদের খবর

...
আপনার ক্যাটাগরি নির্বাচন করুন

Whatsapp Button works on Mobile Device only