শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২০

৪০ বছরে এই প্রথম বিহারের নির্বাচনী ময়দানে নেই লালুপ্রসাদ যাদব



পুবের কলম, পটনাঃ গত চার দশকে এই প্রথম বিহারের বিধানসভা নির্বাচনে আরজেডির প্রতিষ্ঠাতা লালুপ্রসাদ যাদব দলের নির্বাচনী প্রচারে অংশ নিতে পারছেন না। বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী লালু পশুখাদ্য দুর্নীতি মামলায় ২০১৮ থেকে জেলবন্দি রয়েছেন। তাঁর ব্যাটন পুত্র তেজস্বী যাদবের হাতে তুলে দিলেও প্রিজন হাসপাতালে বসেই দলের রাশ নিজের হাতে রেখেছেন। তিনি সেখান থেকেই নানা কাজকর্ম পরিচালনা করে থাকেন বলে সূত্রের খবর। 


৭২ বছর বয়সি লালু ঝাড়খণ্ডে পশুখাদ্য দুর্নীতি মামলায় চার বছরের সাজা খাটছেন। ১৯৯০-এর দশকে মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন এই দুর্নীতি হয় বলে অভিযোগ। জেলের বেশিরভাগ মেয়াদই তিনি কাটিয়েছেন রাঁচির সরকারি হাসপাতালে। শুক্রবার ঝাড়খণ্ড হাইকোর্টে অনেকগুলো পশুখাদ্য দুর্নীতি মামলার মধ্যে একটিতে জামিন পেয়েছেন। তবু তাঁকে জেলে থাকতে হবে। এর পরবর্তী শুনানি রয়েছে ৯ নভেম্বর। বিহারের নির্বাচনী ফলাফল বেরোনোর একদিন আগে। সেই সময় মুক্তি মিললেও তা অনেকটাই দেরি হয়ে যাবে।


গত ৪০ বছরে বিহারের নির্বাচনী ময়দান তাঁকে ছাড়া ভাবাই যায়নি। এই প্রথম বিধানসভার প্রচারে থাকছেন না ভারতীয় রাজনীতির বর্ণময় চরিত্র ও প্রাক্তন রেলমন্ত্রী লালুপ্রসাদ যাদব। ১৯৭৭ সালে সর্বপ্রথম তিনি সাংসদ নির্বাচিত হন। ভোটের ময়দানে তখন থেকেই লালুরাজ। বিহারের রাজনীতি ও লালুর নাম একসময় প্রায় সমর্থক হয়ে দাঁড়িয়েছিল। গতবছরের লোকসভা নির্বাচনের প্রচারেও নামতে পারেননি। আরজেডির পোস্টারেও তার মুখ এবার দেখা যাচ্ছে না।


নিজহাতে ১৯৯৭-তে পার্টি তৈরি করেন। বর্তমানে তরুণ নেতা তেজস্বী যাদবকে সামনে রেখে চলছে নির্বাচনী প্রচার। এসেছে নয়া স্লোগান ‘নয়া সোচ, নয়ি বিহার’। এই নয়া বিহার লালুকে ছাড়াই, সেটা স্পষ্ট। এর আগে ২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনে তেজস্বী যাদব খুব একটা ভালো ফল করতে পারেননি বিজেপি এবং নীতীশ কুমারের বিরুদ্ধে। এবার বিধানসভায় লালুকে ছাড়া আরজেডি কতটা চালিয়ে খেলতে পারে সেটাই দেখার। 



একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ভিন্ন স্বাদের খবর

...
আপনার ক্যাটাগরি নির্বাচন করুন

Whatsapp Button works on Mobile Device only