রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২০

করোনা আবহে ৩ মাসে ৩৫০ কোর্স করে বিশ্বরেকর্ড আরতির



আসিফ রেজা আনসারী

করোনা আবহে গোটা দুনিয়া থরহরিকম্প। সব দেশের মানুষই প্রায় ঘরবন্দি। বন্ধ রয়েছে স্কুল-কলেজ। স্বাভাবিক জীবন-যাপনে পড়েছে অর্গল। কোনও কাজেই মন বসছে না কারও। চিকিৎসকরা বলছেন, এক প্রকার অবসাদ ঘিরে ধরছে মানুষকে। এর মাঝেই এক অসাধ্য সাধন করে ফেলেছেন ভারতীয় তরুণী। শুধু তাই নয়, আরতি রঘুনাথ নামের ওই তরুণী মাত্র তিন মাসেই ৩৫০টি কোর্স করে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন। করেছেন বিশ্বরেকর্ড।


কোচির বাসিন্দা আরতি রঘুনাথ এমইএস কলেজে জৈব-রসায়নে স্নাতকোত্তর স্তরের পড়‍ুয়া। আর পাঁচ জনের মতো দেশজুড়ে লকডাউনকালে ঘরে বসেই সময় নষ্ট হচ্ছিল তাঁর। গতানুগতিক পদ্ধতিতে যেমন কলেজ-বিশ্ববিদ্যায়ের পড়াশোনা হয়, তা বন্ধ রয়েছে। সুযোগ বুঝে অনলাইনে কোর্স করতে শুরু করেন আরতি। পড়ার প্রতি আগ্রহ বাড়তে থাকে ক্রমশ। এভাবে তাঁর ঝুলিতে এখন প্রায় সাড়ে তিনশোটি কোর্স সম্পন্ন করার তকমা। দুনিয়ার নামিদামি বিশ্ববিদ্যালয়ের অনলাইন কোর্সে অংশগ্রহণ করেছেন তিনি। আর তার ফলেই বাজিমাত। ইতিমধ্যেই ইউনিভার্সাল রেকর্ড ফোরামের পক্ষ থেকে স্বীকৃতি মিলেছে আরতি রঘুনাথের। 


এ দিকে আরতির কীর্তিতে শুধু অভিভাবক বা বন্ধুরাই খুশি নন, শিক্ষকরাও অত্যন্ত খুশি, পাশাপাশি বিস্মিতও! তাঁকে নিয়ে আর যাই আলোচনা হোক না কেন, সে নিজেকে মোটেও কৃতিত্ব দিতে নারাজ। প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে আরতি বলেন, আমার শিক্ষকরাই আমাকে এই অনলাইন ক্লাসের দিশা দেখিয়েছিলেন। আমার কলেজের অধ্যক্ষ আজিম মুহাম্মদ, কোর্স কো-অর্ডিনেটর হানিফা কেজি, ক্লাস টিউটর নীলিমা টি কে-র সহায়তায় আমি কোর্সগুলি শেষ করতে পেরেছি।’


প্রসঙ্গত, আরতির ঝুলিতে জন হপকিনস বিশ্ববিদ্যালয়, ডেনমার্ক টেকনিক্যাল ইন্সটিটিউট, কোপেনহেগেন বিশ্ববিদ্যালয়, নিউ ইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো নামিদামি অনেক প্রতিষ্ঠানের ডিগ্রি রয়েছে।


একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ভিন্ন স্বাদের খবর

...
আপনার ক্যাটাগরি নির্বাচন করুন

Whatsapp Button works on Mobile Device only