বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২০

উত্তর প্রদেশে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনার প্রতিবাদে আদিত্যনাথের কুশপুতল পোড়ালো ‘ভাষা ও চেতনা সমিতি’



পুবের কলম ওয়েব ডেস্ক : উত্তর প্রদেশে সাম্প্রতিক গণধর্ষণ ও হত্যার ঘটনার প্রতিবাদে মানিকতলা রামমোহন লাইব্রেরির সামনে মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের কুশপুতল পোড়ানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে ‘ভাষা ও চেতনা সমিতি’র উদ্যোগে বিভিন্ন দাবি সম্বলিত প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে সাম্প্রতিক গণধর্ষণ ও হত্যার ঘটনার প্রতিবাদ জানানো হয়। 

     

‘ভাষা ও চেতনা সমিতি’র সম্পাদক অধ্যাপক ড. ইমানুল হক বিজেপিকে কটাক্ষ করে বলেন,  রামমোহন রায় সতীদাহ নিবারণ করেছিলেন, আর ওরা ধর্ষণ করে রাতের অন্ধকারে তাদের দেহ জ্বালিয়ে দিচ্ছে! তিনি বলেন, সম্প্রতি আরও তিনজন তরুণী ও বালিকাকে ধর্ষণ করা হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, যোগী আদিত্যনাথ সরকার ধর্ষণকারীদের পক্ষ নিচ্ছে। প্রমাণ লোপাট করতে মৃতদেহ পরিবারের কাছ থেকে কেড়ে নিয়ে রাতের অন্ধকারে জ্বালিয়ে দিচ্ছে। এসব ঘটনার প্রতিবাদে আজ রামমোহন হলের সামনে উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীর কুশপুতল পোড়ানো হয়।  



অধ্যাপক ড. ইমানুল হক আরও বলেন, উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ উত্তর প্রদেশকে ‘উত্তম প্রদেশ’-এ পরিণত করার কথা বলেছিলেন। ওরা ‘বেটি বাঁচাও’ স্লোগান দিয়েছিলেন। কিন্তু 'গত  আগস্টে ‘ন্যাশনাল ক্রাইম রেকর্ডস ব্যুরো’র  রিপোর্টে প্রকাশ, ২০১৯ সালে উত্তর প্রদেশে মহিলাদের বিরুদ্ধে অপরাধের সংখ্যা  ৫৯ হাজার ৮৫৩। যা দেশের মধ্যে সর্বাধিক। এরমধ্যে ধর্ষণের ঘটনার সংখ্যা ৩,০৬৫টি। অর্থাৎ ওই রাজ্যে গড়ে দৈনিক প্রায় ১১ জন মহিলা ধর্ষিতা হন।  এঁদের মধ্যে ৩৪ জনকে ধর্ষণের পর খুন করা হয়েছে। তাঁর প্রশ্ন- এই কী সেই ‘উত্তম প্রদেশ’র নমুনা? না ‘বেটি বাঁচাও’/কন্যা শিশু বাঁচানোর দৃষ্টান্ত? অবিলম্বে রাজ্যটিতে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত করে অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন অধ্যাপক ড. ইমানুল হক।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ভিন্ন স্বাদের খবর

...
আপনার ক্যাটাগরি নির্বাচন করুন

Whatsapp Button works on Mobile Device only