শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২০

‘যোগী সরকার আসার পর থেকে উত্তরপ্রদেশে দলিতদের ওপর অত্যাচার বেড়েছে’



লখনউ, ৩ অক্টোবর­‌: দীর্ঘ ১৫ দিনের লড়াইয়ের পর অবশেষে গত মঙ্গলবার মারা গিয়েছেন হাথরসের নির্যাতিতা। সেদিন রাতেই পরিবারের তীব্র আপত্তি আপত্তি সত্ত্বেও তাঁর দেহ দাহ করার পর থেকে তোলপাড় গোটা দেশ। অবস্থা এমনই যে হাথরসের দলিত তরুণীর গণধর্ষণ, মৃত্য‍ু এবং পরিবারকে হুমকি দিয়ে ঘরবন্দি করে, সংবাদমাধ্যমকে ঠেকিয়ে রেখে পুলিশি ঘেরাটোপে তাঁর দেহ জ্বালিয়ে দেওয়ার ঘটনা নিয়ে ইতিমধ্যেই মুখ খুলতে শুরু করেছেন হংসরাজ হংসের মতো বিজেপির দলিত সাংসদরাও। 


আবার হাথরসের বুল গড়হী গ্রামের ঢোকার কাঁচা-পাকা রাস্তা যেখানে শুরু হচ্ছে, সেখানে উত্তরপ্রদেশ পুলিশ ব্যারিকেড করে দেওয়ায় ভিতরে ঢুকতে না পারলেও আশপাশের দলিত গ্রাম থেকে এসে ভিড় জমাচ্ছেন বহু মানুষ। যাঁরা দৃশ্যতই গত কয়েক বছরে পীড়িত এবং বিচ্ছিন্ন হয়ে যাচ্ছেন বিজেপির হিন্দুত্ববাদী রাজনীতির থেকে।


রাজনৈতিক সূত্রের মতে, বাইশের উত্তরপ্রদেশ নির্বাচনে, হাথরস একটি প্রতীক হয়ে উঠতে পারবে কি না, তা সময়ই বলবে। কিন্তু বিজেপির প্রতি দলিত সম্প্রদায়ের ঘৃণার যে ছবিটা স্পষ্ট হয়ে উঠছে, তাকে কাজে লাগাতে আপাতত ঝাঁপিয়ে পড়েছেন রাহুল গান্ধি এবং প্রিয়ঙ্কা গান্ধি। 


গ্রেটার নয়ডায় যমুনা এক্সপ্রেসওয়েতে রাহুলের সঙ্গে পুলিশের ধস্তাধস্তির পর প্রিয়াঙ্কাকেও দেখা গিয়েছে দিল্লিতে প্রাচীন ভগবান বাল্মীকি মন্দিরে গিয়ে হাথরসের নির্যাতিতার জন্য প্রার্থনা করতে। প্রার্থনাসভায় বসেই বিজেপি সরকারকে আক্রমণ করে তিনি বলেন, ‘ওই দলিত পরিবারের ওপর প্রবল অন্যায় হয়েছে। সরকারের কোনও সহায়তাই নেই, তারা অসহায়। আমি এসেছি তাঁদের জন্য প্রার্থনা করতে। দেশের প্রতিটি নারীর উচিত সরকারের ওপর চাপ তৈরি করা।’

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ভিন্ন স্বাদের খবর

...
আপনার ক্যাটাগরি নির্বাচন করুন

Whatsapp Button works on Mobile Device only