রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২০

ঘূর্ণিঝড় ‘গতি’ না ভোগালেও বাংলাকে ভোগাতে পারে বৃষ্টি



পুবের কলম প্রতিবেদকঃ শক্তি আরও বাড়িয়েছে ঘূর্ণিঝড় গতি। বাংলার চিন্তা কম থাকলেও ঝড়ের গতি প্রকৃতির দিকে নজর রাখছে রাজ্য সরকার। আপাতত যাবতীয়  ভ্র‍ূকুটিতে আতঙ্ক বেড়েছে অন্ধ্রপ্রদেশ, তেলাঙ্গনা, ওড়িশা, কর্নাটক, মহারাষ্ট্র--- এই পাঁচ রাজ্যের উপর দিয়েই যাওয়ার কথা। তবে ঝড়ের কারণে পুজোর মুখে বাংলাকে ভোগাতে পারে ভারী বৃষ্টি। ইতিমধ্যেই ঘূর্ণিঝড় গতির কারণে রাজ্যে বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দফতর।


উল্লেখ্য, গত ৩০ সেপ্টেম্বর পশ্চিম মধ্য বঙ্গোপসাগরে একটি নিম্নচাপ তৈরি হয়। পরে সেটিই শক্তি বাড়িয়ে ঘূর্ণিঝড়ের র‍ূপ নিয়েছে। আমফানের তাণ্ডবের রেশ কাটতে নাকাটতেই নয়া ঘূর্ণিঝড়ের খবরে ঘুম উড়েছে রাজ্যের মানুষের। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, বাংলায় সেভাবে এই ঝড়ের তাণ্ডব দেখানোর সম্ভাবনা কম। ঝড়ের ফলে অন্ধ্রপ্রদেশ, ওডিশার উপর দিয়ে ঘণ্টায় ৬৫ কিলোমিটার গতিবেগে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যাবে বলে পূর্বাভাস রয়েছে। ঝড়ের আগে অন্ধ্রপ্রদেশে লাল সতর্কতা জারি হতে পারে। ঘূর্ণিঝড়টি বাংলাদেশের দিকে ঘুরে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।


এমনিতেই দক্ষিণবঙ্গে গত কয়েকদিন ধরেই চলছে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি। তবে তাতে গরম এতটুকু কমেনি। পাল্লা দিয়ে রয়েছে আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তিও। আগামী কয়েকদিনে শহর কলকাতা ও তার সংলগ্ন এলাকায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হলেও নিম্নচাপের জেরে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে দুর্গাপুজোর প্রাক্কালে। যদিও রবিবার সকাল থেকেই শহরে চলছে রোদ ও মেগের লুকোচুরি। কলকাতা-সহ কয়েকটি জেলায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টিপাত হয়েছে। 


উত্তরবঙ্গেও আপাতত ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস নেই। হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। তবে ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে সমুদ্র প্রবল উত্তাল থাকবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। সেই কারণে মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। সঙ্গে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গে চলতে পারে টানা বৃষ্টি।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ভিন্ন স্বাদের খবর

...
আপনার ক্যাটাগরি নির্বাচন করুন

Whatsapp Button works on Mobile Device only