রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২০

হাথরসের মূতার পরিবারের সঙ্গে দেখা করার জের, শোকজ করা হল মহিলা চিকিৎসককে



জবলপুর, ১১ অক্টোবর: তাঁর 'অপরাধ' তিনি হাথরসের মূতার  পরিবারের কাছে গিয়েছিলেন। যার জেরে শোকজ করা হল ওই চিকিৎসককে। এমনই জানিয়েছেন জবলপুরের নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসু মেডিক্যাল কলেজের এক মহিলা চিকিৎসক।


ঘটনাটি ঠিক কী? হাসপাতাল সূত্রে খবর, ওই হাসপাতালের ফরেন্সিক ডিপার্টমেন্টের অ্যাসিসট্যান্ট প্রফেসর ডাক্তার রাজকুমারী বানসাল ৪ থেকে ৬ অক্টোবর ছুটি নিয়েছিলেন। এরপর তিনি হাথরসের মূতার পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন। যদিও এই ধরণের কোনও প্রতিবাদ মিছিলে যোগ দেওয়ার কথা অস্বীকার করেছেন ওই চিকিৎসক।


কলেজের ডিন পিকে কাসার বলেন, ওই চিকিৎসক মেডিক্যাল কলেজের কোনও আধিকারিককে ছুটি নেওয়ার কারণ জানান নি। তাহলে তারা বিষয়টি কীভাবে জানলেন? পিকে কাসার জবাবে বলেন, ছুটি নিয়ে সংবাদমাধ্যমের খবর থেকে জানতে পারেন যে হাথরসের প্রতিবাদ মিছিলে যোগ দিয়েছিলেন ওই চিকিৎসক। চাকরির নিয়ম অনুযায়ী, সরকারি কোনও পদে থেকে এই ধরণের কোনও মিছিলে অংশ নেওয়া যায় না। কর্তূপক্ষের অসন্তোষের কথা জানিয়ে একটি নোটিশ পাঠানো হয়েছে ওই চিকিৎসককে। তাঁর উত্তর পেলেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে বলে জানান কাসার।


অন্যদিকে ওই চিকিৎসকের দাবি, 'গণধর্ষণের ওই ঘটনার পর থেকে ২দিন ঠিকমতো ঘুমোতে পারিনি। ঠিক করি মূতার পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে তাঁদের একটু সান্ত্বনা দেব। পাশাপাশি মূতার মেডিক্যাল রিপোর্টও দেখব। মূতার পরিবারের অনুরোধে ২দিন তাদের সঙ্গেই থাকি।'


তিনি আরও জানান, 'এই সময় ভীম আর্মির সভাপতি চন্দ্রশেখর (রাবণ) পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে যান। ওই সময় কিছু সংবাদমাধ্যমে আমাকে দেখা যায়। সোশ্যাল মিডিয়াতে সেই ছবি ভাইরাল হতেই আমাকে মাওবাদী বানিয়ে দেওয়া হয়। কলঙ্কজনক এবং ভিত্তিহীন অভিযোগ আমার ওপর চাপানো হচ্ছে।' 


ওই চিকিৎসক এও জানিয়েছেন, 'নিছকই মানবিকতার খাতিরে সেখানে গিয়েছিলাম। কোনও প্রতিবাদ মিছিলে যোগ দিইনি। চন্দ্রশেখরের সঙ্গে আমার এই প্রথম সাক্ষাৎ। আমি ভীম আর্মিরও সদস্য নই। নোটিশের উত্তর তো দেবই পাশাপাশি যারা আমার এই ধরণের ভিডিয়ো ছড়িয়েছে পুলিশের সাইবার সেলে তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করব।' 












একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ভিন্ন স্বাদের খবর

...
আপনার ক্যাটাগরি নির্বাচন করুন

Whatsapp Button works on Mobile Device only