বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২০

৬ নভেম্বর ফের রাজ্যে আসছেন নাড্ডা



পুবের কলম ওয়েব ডেস্ক: পাখির চোখ একুশের বিধানসভা ভোট। আর ওই ভোটে বাজিমাত করতে চেষ্টার কসুর রাখছেন না বিজেপির শীর্ষ নেতারা। পুজোর আগেই উত্তরবঙ্গের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে বৈঠকে একুশের লড়াইয়ের মন্ত্র দিয়ে গিয়েছিলেন বিজেপি সভাপতি জেপি নাড্ডা। এবার দক্ষিণবঙ্গের নেতা-কর্মীদের লড়াইয়ের পাঠ শেখাতে ৬ নভেম্বর দু’দিনের সফরে রাজ্যে আসছেন তিনি। ৬ নভেম্বর বর্ধমানে বৈঠক করবেন ও ৭ নভেম্বর মেদিনীপুরে সভা করবেন পদ্ম শিবিরের প্রধান সেনাপতি। বুধবার বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতির দক্ষিণবঙ্গ সফর সূচি জানিয়েছেন দলের রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। 

গত লোকসভা ভোটে দক্ষিণবঙ্গে দল প্রত্যাশিত ফল না করতে পারলেও বিধানসভা ভিত্তিক ফলাফলে বিজেপি শীর্ষ নেতারা যথেষ্টই সন্তুষ্ট। কেননা, দক্ষিণবঙ্গের ২৪০টি বিধানসভা আসনের মধ্যে ৯৩টি আসনে এগিয়ে ছিলেন দলীয় প্রার্থীরা। আগামী বিধানসভা ভোটে যাতে ওই আসনগুলিতে জয় হাসিল করা যায়, তার জন্য বিশেষ পরিকল্পনা নিয়েছেন তাঁরা। বিশেষ করে জঙ্গলমহলের তিন জেলা বাঁকুড়া, পুরুলিয়া ও ঝাড়গ্রামে দলের শক্ত ভিত যাতে কোনও কারণে আলগা হয়ে না যায়, সে দিকে বিশেষ নজর দিয়েছেন জেপি নাড্ডা ও অমিত শাহরা। আর তার জন্য জঙ্গলমহল লাগোয়া মেদিনীপুর জেলাতেই সভা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি। আর বর্ধমানকে বেছে নেওয়া হয়েছে, আসানসোল-দুর্গাপুরের মতো দলের শক্ত ঘাঁটিকে অক্ষুন্ন রাখতে। 

বিজেপি সূত্রের খবর, দলের সর্বভারতীয় সভাপতির সঙ্গে বৈঠকে মূলত বাছাই করা নেতা ও কর্মীদেরই আমন্ত্রণ জানানো হবে। যেহেতু নভেম্বরের ২২ তারিখে উৎাসবের মরসুম শেষ হয়ে যাচ্ছে, তার পরে যাতে বিধানসভা ভোটের জন্য ঝাঁপিয়ে পড়া হয়, সেই নির্দেশই দেবেন নাড্ডা। দক্ষিণবঙ্গে যেহেতু দলের মধ্যে ‘আদি’ ও ‘নব্য’র লড়াই তুঙ্গে পৌঁছেছে, তাই ওই লড়াই বন্ধ করার জন্য কড়া বার্তাও দিতে পারেন তিনি। রাজ্যের শাসকদল তৃণমূলে যেমন মূল সংগঠনের সঙ্গে যুব সংগঠনের একটা অঘোষিত লড়াই চলছে, তেমনই পদ্ম শিবিরেও তেমন লড়াই শুরু হয়েছে। কোনও রকম ভাবে যে সমান্তরাল সংগঠন চালাতে দেওয়া হবে না, তাও স্পষ্ট করে জানিয়ে দেবেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ভিন্ন স্বাদের খবর

...
আপনার ক্যাটাগরি নির্বাচন করুন

Whatsapp Button works on Mobile Device only