রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২০

সর্দি-কাশির সঙ্গে দোসর জ্বর, আগেই ডাক্তারের কাছে না ছুটে মেনে চলুন ঘরোয়া কিছু টিপস



বিশেষ প্রতিবেদন: সর্দিতে নাক বন্ধ, সঙ্গে আবার গায়ে ধুম জ্বর। এরমধ্যে আবার অফিসেও যেতে হচ্ছে। বাড়ির কাজও সামাল দিতে হচ্ছে। কথায় কথায় ডাক্তারের কাছে যাওয়াও হয়তো আপনি পছন্দ করেন না। এই অবস্থায় কীভাবে মুক্তি পাবেন এই সমস্যা থেকে? চলুন জেনে নেওয়া যাক।


জ্বর কিংবা সর্দিকাশিতে মধুর বিকল্প নেই। বহু কাল থেকেই একথা প্রচলিত। আসলে মধু-তুলসি কফকে সাফ করতে মোক্ষম কাজ দেয়। প্রতিদিন সকালে মধু আর তুলসীপাতা একসঙ্গে খান। দেখবেন গলা থেকে কফ সাফ। কিছুক্ষণের মধ্যেই আরাম। 


জ্বর সর্দিকাশি হলে সাধারণ চা না খেয়ে, আদা চা খান। হয়তো নাকে নাকে কথা বলছেন।এক কাপ গরম গরম আদা চা পান করুন। অস্বস্তি থেকে আপনাকে নিমেষে মুক্তি দিতে পারে। বুকের কফ সাফ করতেও এই চায়ের জুড়ি মেলা ভার। ভাবছেন এই বিশেষ চা বানাবেন কীভাবে? খুব সহজ। জল গরম করুন। চিনি খেতে ইচ্ছে করলে দিন। চিনি গুলে এলে চা পাতা দিন। এরপর তাতে দিন আদার কুচি। কিছুক্ষণ ঢেকে রাখুন। তারপর ছেঁকে নিন। ইচ্ছে করলে পাতিলেবুর রস মেশাতেও পারেন। এটা চায়ে ভিটামিন সি যোগ করে। আদা চা শুধু সর্দি কাশি না। মাথা ধরাও কমিয়ে দেবে। পাশাপাশি শরীরের দুর্বলতা কাটিয়ে আপনার চটজলদি চাঙ্গা হতেও সাহায্য করবে।


শরীরে ভিটামিন সি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ন। এর অভাবে শরীর দুর্বল হয়ে যায়। সেই সুযোগে রাস্তাঘাটের জীবানু সহজেই শরীরে বাসা বাধে। একই কারণে ফ্লুও হয়ে থাকে। তাই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে কিংবা ফ্লু রুখতে ভিটামিন সি খাওয়া অত্যন্ত জরুরি। শরীরে ভিটামিন সি পেতে অনেকেই ভিটামিনস সাপ্লিমেন্টস খান। সেটাও অবশ্যই একটা উপায়। এছাড়া কিছু কিছু খাবার খেলেও এই ভিটামিনের অভাব পূরণ হয়। তাই সবার আগে খাবারের একটি ঠিকঠাক তালিকা বানিয়ে ফেলুন। যাতে দেহে সব ধরণের ভিটামিন প্রবেশ করতে পারে। ভিটামিন শরীরের রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা বাড়ায়। ফলে সর্দিকাশির মতো ছোটোখাটো সমস্যাগুলো শরীরকে কাবু করতে পারেনা।


কোনও সময় সর্দি কাশি হলে, মনে রাখতে হবে এগুলোর ফলে কোনও ভাবেই যেন বুকে কফ না বসে যায়। এরজন্য সারা দিনে প্রচুর জল খান। শুধু জলই খেতে হবে তার মানে নেই। পান করতে পারেন ফ্রুটজুস বা স্যুপ জাতীয় খাবার। এই তরল বুকে কফ বসতে দেয়না।আর কফ যদিও জমেও থাকে, তা বের করতে সাহায্য করে। 


জ্বর, সর্দি-কাশি হলে বিশ্রাম নেওয়াটা খুব দরকার। কারণ যদি ফ্লু হয়ে থাকে, সেটা মারাত্মক ছোঁয়াচে। তাই জ্বর গায়ে বাড়ি থেকে না বেরিয়ে, বিশ্রাম নেওয়াটাই ভালো। এতে সংক্রমণ ছড়ানোর আশঙ্কা কমে। এই সময় শরীর যথেষ্ট দুর্বল থাকে। তাই ৮ ঘণ্টা ঘুম অত্যন্ত প্রয়োজন। ঘুম যদি ঠিকঠাক হয়, দেখবেন শরীর অনেক চাঙ্গা।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ভিন্ন স্বাদের খবর

...
আপনার ক্যাটাগরি নির্বাচন করুন

Whatsapp Button works on Mobile Device only